নয়াদিল্লি: ভারতীয়দের কাছে অযোধ্যা একটি পবিত্র স্থান। রাম জন্মেছিলেন এই অযোধ্যাতেই।

সেই রাম জন্মভূমিতে এবার তৈরি হচ্ছে রাম মন্দির। বহু মামলা, রাজনৈতিক চাপান-উতোরের পর আদালতের নির্দেশে এবার গড়ে উঠছে মন্দির।

তবে শুধু ভারতে নয়, দক্ষিণ কোরিয়ানদের কাছেও অযোধ্যা একটি তাৎপর্যপূর্ণ স্থান। শোনা যায়, তাঁদের কাছে অযোধ্যা হল মায়ের বাপের বাড়ি বা মামার বাড়ি।

ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যাবে, কোরিয়ার এক রাণির বাপের বাড়ি ছিল অযোধ্যাতে। বিয়ের আগে রাণী রাজকুমারী সুরিরত্না নামে পরিচিত ছিলেন তিনি। ৪৮ খ্রীষ্টাব্দে দক্ষিণ কোরিয়ার কারাক ক্ল্যানের রাজা কিম সুরোর সঙ্গে বিয়ে হয়। তাই রানী হুর হোয়াংকে শ্রদ্ধা জানাতে প্রত্যেকে বছর অযোধ্যা আসেন দক্ষিণ কোরিয়ার অনেক মানুষ। রাণীর বাপের বাড়ি যেহেতু এখানে, তাই অযোধ্যাকেই দক্ষিণ কোরিয়ার বসিন্দারা মামারবাড়ি বলে মনে করেন।

বছর কয়েক আগে দক্ষিণ কোরিয়ার এক প্রতিনিধি দল এসে উত্তর প্রদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অখিলেশ যাদবের সঙ্গে দেখা করেছিল এবং অযোধ্যাতে রানীর একটি স্মৃতিসৌধ গড়ার প্রস্তাব দিয়েছিল। ২০১৫তে দক্ষিণ কোরিয়া গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গিয়ে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও শক্ত করার ঘোষণা করেছিলেন। ২০১৮ তে যোগী আদিত্যনাথ অযোধ্যায় কুই হু মেমোরিয়াল তৈরিও করেন।

সম্প্রতি দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত বলেন, করোনা অতিমারীর জন্য এবছর ইন্ডিয়া কোরিয়ান পার্ক প্যাভিলিয়ন তৈরির কাজ সম্পূর্ণ করা যায়নি। আগামী বছরে সেই কাজ সম্পূর্ণ হবে বলে জানা গিয়েছে।

সংবাদসংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, কোরিয়ার ওল্ড এশিয়ান ইতিহাসে আছে যে, এক ভারতীয় রাজকিমারী দক্ষিণ কোরিয়ার রাজা কিম সুরোকে বিয়ে করেছিলেন। এই গল্প কথিত বলে মনে করা হত, কিন্তু পরবর্তীকালে প্রত্নতত্ত্ববিদরা এর প্রমাণও পেয়েছেন। দক্ষিণ কোরিয়ার উদ্ধার হয়েছে ভারতীয় শিল্পের নিদর্শন।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা