লখনউ: একবছর বাদে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তন সঙ্গে ডেপুটি-অধিনায়িকা হরমনপ্রীত করের শততম ওয়ান-ডে ম্যাচ। জিতে স্মরণীয় রাখতে চেয়েছিলেন ভারতীয় ক্রিকেটাররা। কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তনটা সুখের হল না মিতালিদের। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে পাঁচ ম্যাচের ওয়ান-ডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৮ উইকেটে হারল ভারতের মহিলা ক্রিকেট দল।

লখনউয়ে এদিন টস জিতে মিতালি অ্যান্ড কোম্পানিকে প্রথমে ব্যাটিং’য়ের আমন্ত্রণ জানায় দক্ষিণ আফ্রিকা। অধিনায়ক মিতালি রাজের অর্ধশতরান এবং মাইলস্টোন ম্যাচে হরমনপ্রীতের ৪১ বলে ৪০ রানের ইনিংস ছাড়া ভারতীয় ব্যাটারদের মধ্যে সেই অর্থে কেউই দাগ কাটতে পারেননি। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে মাত্র ১৭৭ রান তোলে উইমেন ইন ব্লু। ৮৫ বলে ৫০ রানের অধিনায়কোচিত ইনিংস আসে মিতালির ব্যাট থেকে। কিন্তু ব্যাটিং অর্ডারের ব্যর্থতায় ১৭৭ রান যে ভীষণই স্বল্প পুঁজি সে আর বলার অপেক্ষা রাখে না। ১০ ওভারে ২৮ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন প্রোটিয়া পেসার শাবনিম ইসমাইল।

জবাবে লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে ভারতের জয়ের কোনওরকম সম্ভাবনা বা আশার সুযোগ তৈরি হতে দেননি দুই প্রোটিয়া ওপেনার। কার্যত রেকর্ড গড়ে দলকে জয়ের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেন লিজেলে লি এবং লরা উলভার্টড। এই দুই প্রোটিয়া ব্যাটার ভারতীয় বোলারদের নিয়ে ছেলেখেলা করে ওপেনিং জুটিতে তোলেন ১৬৯ রান। ভারতের বিরুদ্ধে ওয়ান-ডে ক্রিকেটে দক্ষিণ আফ্রিকার এটাই সর্বোচ্চ রানের ওপেনিং পার্টনারশিপ। ৩৮তম ওভারে লরা যখন ব্যক্তিগত ৮৩ রানে আউট হন প্রোটিয়াদের তখন জয়ের জন্য বাকি ৯ রান।

এরপর জয়ের থেকে মাত্র এক রান দূরে দাঁড়িয়ে এক রান করে আউট হন লুস। কিন্তু ভারতের জয়ের জন্য তা পর্যাপ্ত ছিল না। ৮০ রানে অপরাজিত থেকে আরেক ওপেনার লি দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন। এর আগে পঞ্চম ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটার হিসেবে এদিন শততম আন্তর্জাতিক ওয়ান-ডে খেলার নজির গড়েন সংক্ষিপ্ত ফর্ম্যাটের দলনায়িকা হরমপ্রীত কর। মিতালি রাজ (২১০), ঝুলন গোস্বামী (১৮৩), অঞ্জুম চোপড়া (১২৭) এবং অমিতা শর্মার (১১৬) পর পঞ্চম ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটার হিসেবে মাইলস্টোন গড়েন পঞ্জাব ব্যাটার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।