রাঁচি: প্রথম একাদশে বড়সড় রদবদল করেও পরিচিত ছবিটাকে বদলাতে পারল না দক্ষিণ আফ্রিকা৷ প্রথম দু’টি টেস্টের মতো রাঁচিতেও প্রাথমিক ব্যাটিং বিপর্যয়ে প্রোটিয়ারা৷ ফলে দ্বিতীয় দিনের শেষেই তৃতীয় টেস্টের রাশ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় টিম ইন্ডিয়া৷

জেএসসিএ ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করা ভারত প্রথম দিনের খেলা শেষ করেছিল ৩ উইকেটে ২২৪ রান তুলে৷ দ্বিতীয় দিনে তার পর থেকে খেলতে নেমে ভারত ৯ উইকেটে ৪৯৭ রান তুলে তাদের প্রথম ইনিংস ডিক্লেয়ার করে দেয়৷ জবাবে ব্যাট করতে নেমে মন্দ আলোয় দিনের মতো খেলা বন্ধ হওয়ার সময় দক্ষিণ আফ্রিকা ২ উইকেট হারিয়ে ৯ রান তুলেছে৷

আরও পড়ুন: ছক্কা হাঁকিয়ে দ্বিশতরান হিটম্যানের, ফের বড় রানের লক্ষ্যে ভারত

গত দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যানের রোহিত শর্মা ও অজিঙ্কা রাহানে নিজেদের ইনিংসে আরও দীর্ঘায়িত করেন৷ রাহানে প্রথম দিনের শেষে ব্যক্তিগত ৮৩ রানে নটআউট ছিলেন৷ তার পর থেকে ব্যাট করে অজিঙ্কা ১১৫ রানে আউট হন৷ ১৯২ বলের ইনিংসে তিনি ১৭টি চার ও ১টি ছক্কা মারেন৷ এটি তাঁর টেস্ট কেরিয়ারের একাদশতম শতরান৷

রোহিত শর্মা নিজের সেঞ্চুরিকে ডাবল সেঞ্চুরিতে বদলে নেন৷ গত দিনের ১১৭ রানের পর থেকে খেলা শুরু করে হিটম্যান থামেন ২১২ রানে৷ এটি তাঁর টেস্ট কেরিয়ারের প্রথম দ্বি-শতরান৷ ২৫৫ বলের ইনিংসে রোহিত ২৮টি চার ও ৬টি ছক্কা মারেন৷

আরও পড়ুন: মাঠেই ক্রিকেটারকে প্রেমের প্রস্তাব বয়ফ্রেন্ডের, ভাইরাল ভিডিও

এছাড়া রবীন্দ্র জাদেজা ৫১, ঋদ্ধিমান সাহা ২৪, রবিচন্দ্রন অশ্বিন ১৪ ও উমেশ যাদব ৩১ রান করে আউট হন৷ উমেশ ১০ বলের ঝোড়ো ইনিংসে ৫টি ছক্কা মারেন৷ শাহবাজ নদিন ১ ও মহম্মদ শামি ১০ রান করে অপরাজিত থাকেন৷ অভিষেককারী জর্জ লিন্ডে ৪টি ও কাগিসো রাবাদা ৩টি উইকেট নেন৷ ১টি করে উইকেট নিয়েছেন নর্ৎজে ও ডেন পিয়েডট৷

পাল্টা ব্যাট করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা মাত্র ৮ রানের মধ্যে দুই ওপেনার ডিন এলগার ও কুইন্টন ডি’ককের উইকেট হারিয়ে বসে৷ এলগার খাতা খোলার আগেই মহম্মদ শামির বলে ঋদ্ধিমান সাহার হাতে ধরা দেন৷ ডি’কক ৪ রান করে উমেশ যাদবের বলে ঋদ্ধির দস্তানাতেই ধরা পড়েন৷ দিনের শেষে ডু’প্লেসি ১ ও জুবাইর হামজা ০ রানে অপরাজিত রয়েছেন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।