কার্ডিফ: প্রথম তিন ম্যাচ হারের পর বৃষ্টিতে পন্ড হয়েছিল চতুর্থ ম্যাচ। অবশেষে পঞ্চম ম্যাচে এসে বিশ্বকাপে প্রথম জয়ের মুখ দেখল দক্ষিণ আফ্রিকা। বৃষ্টিবিঘ্নিত সোফিয়া গার্ডেনে শনিবার আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ৯ উইকেটে একপেশে জয় ছিনিয়ে নিল প্রোটিয়ারা।

টস জিতে এদি আফগানদের প্রথমে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানান প্রোটিয়া অধিনায়ক ফ্যাফ ডু’প্লেসি। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকা বোলারদের সামনে এদিন ‘লিলিপুট’ হিসেবে প্রতিপন্ন হন আফগান ব্যাটসম্যানরা। ২৯ রানে ৪ উইকেট নিয়ে আফগানিস্তান ব্যাটিং লাইন আপের কোমর ভেঙে দেন প্রোটিয়া লেগ-স্পিনার ইমরান তাহির। ৩ উইকেট নিয়ে তাঁকে যোগ্য সহায়তা করেন অল-রাউন্ডার ক্রিস মরিস। ফেহলুকাওয়ের ঝুলিতে ২টি উইকেট এবং রাবাদা নেন একটি উইকেট।

আরও পড়ুন: মহারণের আগে সমর্থকদের উদ্দেশ্যে ‘বিরাট’ বার্তা

বৃষ্টিবিঘ্নিত ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকা বোলারদের রণমূর্তির সামনে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেননি বিপক্ষের কোনও ব্যাটসম্যানই। ৩৯ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট খোয়াতে থাকে আফগানরা। এশীয় দেশটির তিনজন ব্যাটসম্যানই কেবল দু’অঙ্কের ঘরে পৌঁছতে সক্ষম হন। ২৫ বলে সর্বোচ্চ ৩৫ রানের ইনিংস খেলেন রশিদ খান। দুই ওপেনার হজরতুল্লাহ জাজাই ও নুর আলি করেন যথাক্রমে ২২ রান ও ৩২ রান। সবমিলিয়ে ৩৪.১ ওভারে মাত্র ১২৫ রানেই গুটিয়ে যায় আফিগানিস্তান ইনিংস।

আরও পড়ুন: দুরমুশ শ্রীলঙ্কা, ব্যাটে-বলে বাজিমাত বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের

বৃষ্টির কারণে ডাকওয়ার্থ লুইস নিয়মে দক্ষিন আফ্রিকার লক্ষ্যমাত্রা সামান্য বেড়ে দাঁড়ায় ৪৮ ওভারে ১২৭ রান। ব্যাটসম্যানরা ব্যর্থ হওয়ার পর বল হাতেও কোনও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেননি আফগান বোলাররা। স্বল্প পুঁজি নিয়ে তাদের থেকে বেশি কিছু প্রত্যাশাও আশা করেননি অনুরাগীরা। ফল যা হওয়ার তাই হয়। ওপেনার কুইন্টন ডি’কক ৭২ বলে ৬৮ রানের ইনিংস খেলে আউট হলেও ফেহলুকাওকে সঙ্গে নিয়ে দলকে কাঙ্খিত লিক্ষ্যে পৌঁছে দেন আরেক ওপেনার হাসিম আমলা। তাও আবার ২৮.৪ ওভারেই। আমলা ৪১ রানে ও ফেহলুকাও ১৭ রানে অপরাজিত থাকেন।