সেঞ্চুরিয়ন: জয়ের লক্ষ্য ছিল ৩৭৬ রানের৷ হাতে পর্যাপ্ত সময় থাকায় ইংল্যান্ডের সামনে সুযোগ ছিল সেঞ্চুরিয়নে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে বক্সিং ডে টেস্টে জয় তুলে নেওয়ার৷ তৃতীয় দিনের শেষে ইংল্যান্ড তাদের দ্বিতীয় ইনিংসে ১ উইকেটের বিনিময়ে ১২১ রান তুলেছিল৷ হাফ-সেঞ্চুরি করে ক্রিজে অপরাজিত ছিলেন ররি বার্নস৷ তখনও পর্যন্ত ম্যাচে ব্রিটিশদের জয়ের সম্ভাবনা জিইয়ে ছিল৷ তবে চতুর্থ দিনের শুরু থেকে ধারাবাহিকভাবে উইকেট হারিয়ে ইংল্যান্ড কার্যত পরাজয় মেনে নেয়৷

আরও পড়ুন: ‘জয় শ্রীরাম’ বলে মিয়াঁদাদ আমেরদের তুলোধোনা করলেন কানেরিয়া

সুপারস্পোর্ট পার্কে দক্ষিণ আফ্রিকার ২৮৪ রানের জবাবে ইংল্যান্ড প্রথম ইনিংসে অল-আউট হয় ১৮১ রানে৷ ১০৩ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় দফায় দক্ষিণ আফ্রিকা তোলে ২৭২ রান৷ শেষ ইনিংসে ইংল্যান্ড অল-আউট হয়ে যায় ২৬৮ রানে৷ দক্ষিণ আফ্রিকা বক্সিং ডে টেস্টে জয় তুলে নেয় ১০৭ রানের ব্যবধানে৷

আরও পড়ুন: মেলবোর্নেই সিরিজ জয় অস্ট্রেলিয়ার

ব্যক্তিগত ৭৭ রানের পর থেকে খেলতে নেমে চতুর্থ দিনের শুরুতেই বার্নস আউট হন ৮৫ রানের মাথায়৷ জো ডেনলি আগের দিন ব্যক্তিগত ১০ রানে অপরাজিত ছিলেন৷ তিনি সাজঘরে ফেরেন ৩১ রান করে৷ ক্যাপ্টেন জো রুট ব্যক্তিগত অর্ধশতরানের দোরগোড়া থেকে ফিরে যান৷ রুট ৪৮ রান করে ক্রিজ ছাড়েন৷ বাকিদের মধ্যে দু’অঙ্কের রান বলতে বেন স্টোকসের ১৪ ও বাটলারের ২২৷

আরও পড়ুন: ব়্যাপিড দাবায় বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হাম্পি

জনি বেয়ারস্টো ৯, স্যাম কারান ৯, জোফ্রা আর্চার ৪ ও স্টুয়ার্ট ব্রড ৬ রান করে আউট হন৷ কাগিসো রাবাদা ১০৩ রানের বিনিময়ে ৪টি উইকেট দখল করেন৷ ৫৬ রানে ৩ উইকেট নেন অ্যানরিচ নর্ৎজে৷ ৩৭ রানে ২টি উইকেট কেশব মহারাজের৷ ২৬ রানে ১ উইকেট নেন প্রিটোরিয়াস৷ প্রথম ইনিংসে ৯৫ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৪ রান করা কুইন্টন ডি’কক ম্যাচের সেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হন৷

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ