কলকাতা: বঙ্গক্রিকেট লক্ষ্মী-হারা হওয়ার পরই সিএবি-র অন্দরমহলে ঘুর পাক খাচ্ছে এক রাশ প্রশ্ন! সত্যিই কি দলের প্রতি লক্ষ্মীরতন শুক্লার দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তোল হয়েছিল? না কি, সম্মান থাকতে থাকতেই সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত প্রাক্তন বাংলা অধিনায়কের!
সিএবি প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় অবশ্য লক্ষ্মীর দায়বদ্ধতা প্রশ্নে বেশ অবাকই হলেন৷ লক্ষ্মীর অবসর প্রসঙ্গে সৌরভের প্রতিক্রিয়া, ‘জানি না কে লক্ষ্মীর দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্নে করেছিল৷ আমি যে বৈঠক ডেকেছিলাম, সেখান লক্ষ্মী ছাড়াও ছিল মনোজ ও কোচ বাহুতুলে৷ সেখানে ওকে কেউ অপমান করেনি৷ বাহুতুলে শুধু বলেছিল, লক্ষ্মী তুমি সিনিয়র খেলোয়াড় তোমাকে আরও বেশি দায়িত্ব নিয়ে খেলতে হবে৷ আমার মনে হয় কোচ হিসেবে বাহুতুলে এটা যে কোনও খেলোয়াড়কে বলতেই পারে৷’ বুধবার মোহনবাগান তাবুতে সব ধরণের ক্রিকেট থেকে অবসর ঘোষণা করে ৩৪ বছরের বাংলার অল-রাউন্ডার৷
অবসর ঘোষণার সপ্তাহখানেক আগেই সৌরভকে জানিয়ে ছিলেন লক্ষ্মী৷ সৌরভ বলেন, ‘আমাকে পাঁচ-সাত দিন আগেই বলেছিল, খেলা চালিয়ে যাওয়ার জন্য ওর শরীর সায় দিচ্ছে না। কিন্তু আমি ওকে অনেক বুঝিয়েছিলাম। আরও কিছুদিন খেলতে পারবে। সবার কেরিয়ারে এ সময়টা আসে৷ যদিও এটা ওর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত৷’ লক্ষ্মীর হঠাৎ অবসরে বুধবার রাত সাড়ে আটটায় সিএবি-তে বিশেষ দল নির্বাচনী বৈঠক ডাকেন সৌরভ। সেখানে লক্ষ্মীর পরিবর্ত হিসাবে মুস্তাক আলি জাতীয় টি-২০ টুর্নামেন্টে অভিষেক দাসকে দলে নিয়েছেন নির্বাচকরা৷