কলকাতাঃ  ফের অসুস্থ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। হঠাত করে বুধবার সকালে বুকে ব্যাথা অনুভব করেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় অ্যাপোলো হাসপাতালে। সদ্য সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছিলেন। কিন্তু ফের বুকে ব্যথা হওয়ায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট তথা জাতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে।

সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের ফের অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার খবরে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে রাজনৈতিক মহলে। বুধবার বাড়িতে বিশ্রামে থাকা প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক ফের বুকে ব্যথা অনুভব করায় সঙ্গে সঙ্গে গ্রিন করিডর গড়ে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় বাইপাসের অ্যাপোলো হাসপাতালে।

সেখানে তাঁর নানা পরীক্ষানিরীক্ষা চলছে। তবে ভারতীয় ক্রিকেটের মহারাজের অসুস্থতার খবর ছড়াতে বেশি সময় লাগেনি। প্রথম সারির বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় খবর পেয়েই ট্যুইট করে উদ্বেগ জানান। লেখেন, শ্রী সৌরভ গাঙ্গুলির আবার অসুস্থ হওয়ার খবর উদ্বেগজনক।

যতটা খবর পেয়েছি, ওঁর বুকে ব্যথা হচ্ছে। ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা জানাই, দ্রুত উনি সুস্থ হোন, ভারতীয় ক্রিকেটকে অনেক উঁচুতে নিয়ে যান। শুধু কৈলাশ বিজয়বর্গীয় নয়, সৌরভের ফের অসুস্থতার খবরে উদ্বিগ্ন খোদ কেন্দ্রিয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

জানা গিয়েছে, সৌরভের অসুস্থতার খবর কানে যেতেই কৈলাশ বিজয়বর্গীয়কে ফোন করেন অমিত শাহ। সৌরভের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন তিনি। যে কোনও দরকারে সাহায্য করার বার্তা দেন তিনি। আগেও একই ভাবে সৌরভকে সবরকম সাহায্য করার বার্তা দিয়েছিলেন অমিট শাহ।

এবার সেই একই বার্তা শাহের। উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই বাড়িতে জিম করার সময় মাথা ঘুরিয়ে ব্ল্যাক আউট হয়ে পড়েন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। সঙ্গে সঙ্গে নিয়ে যাওয়া হয় উডল্যান্ডসে।

দিনকয়েক চিকিত্সার পর তাঁর বুকে একটি স্টেন্ট বসে। বাকি দুটি ধমনীতে স্টেন্ট বসানো স্থগিত থাকে। সেই অবস্থাতেই তাঁকে বাড়িতে পাঠানো হয়। জানা যাচ্ছে, বাকি দুটোতে নতুন করে সমস্যা তৈরি হওয়াতেই বুকে ব্যাথা বলে প্রাথমিক অনুমান ডাক্তারদের।

উল্লেখ্য, সৌরভের অসুস্থতার পরই নানা মহলে এই প্রশ্নও উঠছে, সৌরভের ওপর কি রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার জন্য কোনও চাপ তৈরি হয়েছিল? তার জেরেই কি হঠাৎ‍ অসুস্থ হয়ে পড়েন? যদিও এই ধরনের কোনও চাপ নেই বলে আগেই জানানো হয়েছিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।