কলকাতা: সৌরভ গঙ্গোপাধ্য়ায়কে কেন্দ্র করে ফের উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। ভোটের মুখে রাজভবনে গেলেন বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট। সেখানে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। তাঁদের মধ্য়ে কী কথা হয়েছে তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি।

ভোটের মুখে রাজ্যপালের সঙ্গে সৌরভ গঙ্গোপাধ্য়ায়ের সাক্ষাৎ ঘিরে শুরু হয়েছে জল্পনা। কারণ কিছুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট। আর দিন তিনেকের মধ্যেই বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে গেরুয়া শিবির। তাই এই সময়ে সৌরভের সাক্ষাৎ রাজনীতিতে জল্পনা বাড়িয়েছে। এও শোনা যাচ্ছে রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ব্রিগেডেও উপস্থিত থাকতে পারেন তিনি। যদিও বিজেপির তরফে এনিয়ে এখনও কিছু চূড়ান্ত করা হয়নি। চুপচাপ সৌরভও।

সৌরভের বিজেপি-তে যোগদান নিয়ে গত বেশ কিছুদিন ধরে জল্পনা ছড়িয়েছে৷ এটাও শোনা গিয়েছে যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে সৌরভকে অন্যত মুখ করতে চায় বিজেপি।হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর এমনও অভিযোগ ওঠে, রাজনীতিতে নামার চাপের ধকলই সৌরভের অসুস্থতার অন্যতম কারণ৷ আবার যেভাবে নরেন্দ্র মোদী থেকে শুরু করে অমিত শাহ নিয়মিত সৌরভের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিয়েছেন, তাও কারও নজর এড়ায়নি৷ যদিও সৌরভ অবশ্য হাসপাতাল ছাড়ার সময় বুঝিয়ে দেন, তাঁর উপরে কোনও চাপ ছিল না৷

এদিকে আবার মহারাজ সুহৃদ হেভিওয়েট সিপিআইএম নেতা অশোক ভট্টাচার্য বলেছেন, সৌরভ যেন রাজনীতি না করে। সৌরভ ও অশোকের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা সর্বজনবিদিত। বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি রাজনীতিতে নামার বিষয়ে মুখ খোলেননি। আবার অশোক ভট্টাচার্যের ‘উপদেশ’ উড়িয়েও দেননি। কিছুদিন আগেই তিনিসৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে রাজনীতিতে না আসার পরামর্শ ফেসবুকে লিখেছিলেন শিলিগুড়ির সিপিআইএম বিধায়ক অশোক ভট্টাচার্য। গত বছর ৩০ ডিসেম্বর তিনি লেখেন, “আজ সৌরভ গাঙ্গুলির বাড়িতে বসে সৌরভ আর ডোনার সাথে অনেক গল্প হলো। ক্রিকেট নিয়ে আলোচনা হলো । আমি ইলেকশনে লড়ছি কিনা তাও জানতে চাইলো! তার জন্যে আগাম শুভেচ্ছাও জানিয়ে রাখলো।”

সূত্রের খবর, অশোক ভট্টাচার্য ঘনিষ্ঠ মহলে বলেছেন, সৌরভ জানিয়েছে রাজনীতিতে আসার কোনও ইচ্ছে তার নেই। যদিও বুধবার রাজ্যপালের সঙ্গে সৌরভের সাক্ষাৎ অন্য ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মত অভিজ্ঞদের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.