আমদাবাদ: চাপের মুখে ফের একবার জ্বলে উঠল ঋষভ পন্তের ব্যাট। দেশের মাটিতে প্রথম টেস্ট শতরান হাঁকিয়ে চতুর্থ টেস্টে টিম ইন্ডিয়াকে চালকের আসনে বসিয়ে দিলেন ঋষভ পন্ত। আর চাপের মুখে ভারতের এই তরুণ তুর্কির শতরান দেখে মুগ্ধ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। বরাবরই পন্তের ব্যাটিং’য়ের গুণমুগ্ধ ভক্ত প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। আর শুক্রবার উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যানের শতরানে প্রশংসা গোপন রাখলেন না বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট।

টুইটারে সৌরভ লিখলেন, ‘ছেলেটা কতটা ভাল? অবিশ্বাস্য। চাপের মুখে কী দুর্দান্ত একটা ইনিংস। এই প্রথমবার নয় এবং নিশ্চিতভাবে এটা শেষবারের জন্যও নয়। আসছে বছরগুলোতে ও নিজেকে অল টাইম গ্রেট করে তুলবে। এই আগ্রাসন নিয়েই ব্যাটিং করে যাও। এইজন্যই ও ম্যাচ উইনার এবং স্পেশাল।’ উল্লেখ্য ৮০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ভারত বিপাকে পড়ে যাওয়ার পর ক্রিজে এদিন আবির্ভাব হয় পন্তের।

প্রথমে রোহিত শর্মার সঙ্গে এবং এরপর সপ্তম উইকেটে ওয়াশিংটন সুন্দরের সঙ্গে জুটি বেঁধে দিনের শেষে পন্ত চালকের আসনে বসিয়ে দিয়ে যান দলকে। ১১৮ বলে এদিন পন্তের ১০১ রানের ইনিংস সাজানো ছিল ১৩টি চার এবং ২টি ছয়ে। সৌরভের পাশাপাশি পন্তের প্রশংসায় মুখর হয়েছেন সুনীল গাভাস্করও। মুম্বইকার জানিয়েছেন, ‘শুরুতে লিচকে খেলতে একটু সমস্যা হচ্ছিল ওর। একইসঙ্গে অ্যান্ডারসন এবং স্টোকসকেও শুরুতে দেখে নিচ্ছিল ও। কিন্তু যখনই ও বুঝল পিচ নিয়ে উদ্বেগের কোনও কারণ নেই তখনই ও নিজের রাস্তা ঠিক করে ফেলল এবং অসাধারণ কিছু শট খেলল।’

পাশাপাশি দ্বিতীয় নতুন বলে টেস্ট ক্রিকেটের সেরা পেস বোলার জেমস অ্যান্ডারসনকে পন্ত যেভাবে খেলেছে সেটা অবাক করেছে গাভাস্করকে। পন্তের সামনে অ্যান্ডারসনকে এদিন স্পিনার মনে হয়েছে তাঁর। গাভাসকর জানিয়েছেন, ‘ও ধীরে ধীরে যখন শতরানের দিকে এগোল এবং অ্যান্ডারসনের হাতে দ্বিতীয় নতুন বল উঠল সে সময় অ্যান্ডারসনকে একজন স্পিনারের মত খেলল ও। অ্যান্ডারসনের বিরুদ্ধে রিভার্স সুইপ, অতুলনীয়। দেখে খুব ভাললাগল যে এক্ষেত্রে ও শতরানটা মিস করেনি।’

উল্লেখ্য, পন্ত ছাড়া আর একজনের নাম এদিন না করলে নয়। তিনি হলেন ওয়াশিংটন সুন্দর। সপ্তম উইকেটে পন্তের সঙ্গে ১১৩ রানের জুটি বাঁধেন ওয়াশিংটন। এরপর পন্ত ১০১ রানে ফিরলেও দিনের শেষে ৬০ রানে অপরাজিত রয়েছেন তিনি। অক্ষর প্যাটেলকে সঙ্গে নিয়ে ভারতের রান নিয়ে গিয়েছেন তিনশোর দোরগোড়ায়। দিনের শেষে ৭ উইকেটে টিম ইন্ডিয়ার রান ৭ উইকেটে ২৯৪। প্রথম ইনিংসে ৮৯ রানে এগিয়ে তারা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।