কলকাতা: করোনার গ্রাসে মঙ্গলবার স্থগিত হয়ে গিয়েছে ২০২১ আইপিএল৷ কিন্তু মাত্র দু’দিনের ব্যবধানে আইপিএলের বাকি ম্যাচগুলি হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানালেন বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়৷ অনান্য দেশের সঙ্গে কথা বলে উইন্ডো ফাঁকা পেলে তবেই টুর্নামেন্টের বাকি ম্যাচগুলি করা সম্ভব বলেও জানান সৌরভ৷

দেশের ক্রমবর্ধমান কোভিড পরিস্থিতি ও বিভিন্ন দলের শিবিরে কোভিড হানার পর ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড আইপিএলের চতুর্দশ সংস্করণ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করে দিয়েছে৷ করোনা সংক্রমণের কথা মাথায় থেকে এবার দেশের ছ’টি শহরে আইপিএলের ম্যাচগুলি অনু্ষ্ঠিত হচ্ছিল৷ কিন্তু তাতেও শেষরক্ষা হয়নি৷ ৫২ দিনের টুর্নামেন্টে মাত্র ২৪ দিন খেলা সম্ভব হয়েছে৷ ৬০টি ম্যাচের মধ্যে হয়েছে মাত্র ২৯টি৷ আইপিএল ফাইনাল হওয়ার কথা ছিল ৩০ মে৷ কিন্তু ৩ মে-র পর আর টুর্নামেন্ট চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি৷

তবে পরে আইপিএল শুরু করার সম্ভাবনা উসকে দিলেন বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট৷ দ্য টেলিগ্রাফ-কে সৌরভ বলেন, ‘আমাদের অনেকগুলি বিষয় দেখতে হবে৷ সবে মাত্র একদিন হয়েছে আইপিএল স্থগিত হয়েছে৷ আমরা অনান্য বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করবো৷ দেখা যাক, টি-২০ বিশ্বকাপের আগে কোনও উইন্ডো ফাঁকা পাওয়া যায় কি না৷ তবে আমাদের এই বিষয়ে ধীরে ধীরে পা-ফেলতে হবে৷ তবে আইপিএল শেষ করা না-গেলে প্রায় ২৫০০ কোটি টাকা ক্ষতি হবে৷’

সোমবার কলকাতা নাইট রাইডার্সের দুই ক্রিকেটার বরুণ চক্রবর্তী ও পেসার সন্দীপ ওয়ারিয়রের কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ আসার পরই নড়চড়ে বসেছিল আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিল ও বিসিসিআই৷ স্থগিত করে দেওয়া হয়েছিল সোমবার আমদাবাদে কলকাতা-ব্যাঙ্গালোর ম্যাচ৷ তারপর চেন্নাই সুপার কিংস, সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ, দিল্লি ক্যাপিটালসের একের পর ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফের কোভিড রিপোর্টও পজিটিভ আসে।

১৮ অক্টোবর থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত ভারতের মাটিতে হওয়ার কথা টি-২০ বিশ্বকাপ৷ এর ঠিক আগে ফাঁকা উইন্ডোর খোঁজ করছে বিসিসিআই৷ আইপিএলের পরিবর্তিত ম্যাচগুলি ইংল্যান্ড কিংবা সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে করার কথা ভাবছে বিসিসিআই৷ ইংল্যান্ডকে ভাবার কারণ, এখানে ভারতীয় দল জুনে ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পর অগস্ট-সেপ্টেম্বরে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে৷ এমনটা না-হলে সেপ্টেম্বরের শেষে অর্থাৎ টি-২০ বিশ্বকাপের ঠিক আগে আইপিএল-এর বাকি ম্যাচগুলি সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে করার ভাবনা রয়েছে বোর্ডের৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.