মুম্বই: শুক্রবারই পিতৃবিয়োগ হয়েছে ভারতীয় দলের প্রতিশ্রুতিমান ফাস্ট বোলার মহম্মদ সিরাজের। অস্ট্রেলিয়া সফরে ভারতীয় দলের টি২০ স্কোয়াডের এই সদস্য আপাতত সিডনিতে রয়েছেন গোটা দলের সঙ্গে। আর সিডনিতে বসেই গতকাল পিতৃবিয়োগের মত দুঃসংবাদ পেয়েছেন আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের এই সদস্য। কিন্তু অতিমারী পরিস্থিতিতে দেশে ফেরার কোনও উপায় নেই। তাই বাবাকে হারিয়েও অস্ট্রেলিয়াতে দলের সঙ্গেই থাকতে হচ্ছে হায়দরাবাদ পেসারকে।

আর এমন কঠিন পরিস্থিতিতে ভারতীয় দলের পেসারকে সমবেদনা জানালেন বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট লিখলেন, ‘কঠিন সময়ে ঈশ্বর মহম্মদ সিরাজকে শক্তি দিক যাতে এই কঠিন শোক ও সামলাতে পারে। অস্ট্রেলিয়া সফরে ওর সাফল্য কামনা করছি। দারুণ একজন চরিত্র ও।’

সাম্প্রতিক সময়ে ত্রয়োদশ আইপিএলে বিরাট কোহলি নেতৃত্বাধীন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বোলিং বিভাগের অন্যতম ভরসা ছিলেন তিনি। আইপিএলের একটি ম্যাচে জোড়া মেডেন নিয়ে নজিরও গড়েছেন সিরাজ। কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে ওই ম্যাচে চার ওভার হাত ঘুরিয়ে ২টি মেডেন সহ তিন উইকেট নেন সিরাজ। পরিবর্তে মাত্র ৮ রান খরচ করেন তিনি। উল্লেখ্য, আইপিএলের ইতিহাসে প্রথম বোলার হিসেবে একই ম্যাচে জোড়া মেডেন সংগ্রহ করেন সিরাজ। আইপিএলের পারফরম্যান্সের সুবাদেই অস্ট্রেলিয়া সফরে পাঁচদিনের স্কোয়াডে জায়গা করে নেন আরসিবি পেসার।

উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়া সফরে আগামী ২৭ নভেম্বর থেকে তিন ম্যাচের ওয়ান-ডে সিরিজে অভিযান শুরু করবে ভারতীয় দল। এরপর সমসংখ্যক ম্যাচের টি২০ সিরিজে মাঠে নামবে ভারতীয় দল। আর সংক্ষিপ্ত ফর্ম্যাটের পরেই বহু প্রতীক্ষিত চার ম্যাচের টেস্ট সিরিজে অবতীর্ণ হবে যুযুধান দুই প্রতিপক্ষ। ২০১৮-১৯ অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে কোহলি নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দল প্রথমবারের জন্য টেস্ট সিরিজ জিতে ফিরেছিল। এবারেও বর্ডার-গাভাসকর ট্রফি ধরে রাখতে মরিয়া ভারতীয় দল।

কিন্তু ভারতীয় শিবিরে উদ্বেগের কারণ বিরাট কোহলির না থাকার বিষয়টি। জানুয়ারিতে প্রথম সন্তান পৃথিবীর আলো দেখবে, তাই অ্যাডিলেডে প্রথম টেস্ট খেলেই দেশে ফিরবেন ভারত অধিনায়ক। পরিবর্তে আজিঙ্কা রাহানে অধিনায়কত্বের দায়ভার সামলাবেন। আর কোহলি না থাকলে ভারতীয় দল অনেকটাই কমজোরি হয়ে পড়বে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.