কলকাতা: ফের অসুস্থ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁকে কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে, আচমকা বুধবার দুপুরে বুকে ব্যথা অনুভূত হয় বিসিসিআই প্রেসিডেন্টের। তারপরই তাঁকে গ্রিন করিডর করে বাইপাসের ধারে অ্যাপোলে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

বাইপাসের ধারে অ্যাপোলো হাসাপাতালে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এর আগে ২ জানুয়ারি বুকে ব্যথা নিয়ে উডল্যান্ডস হাসপাতালে ভর্তি হন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর বুকে ৯৫ শতাংশ ব্লকেজ পাওয়া গিয়েছিল। এরপর তাঁর বুকে স্টেন্ট বসে। বুকে ব্লকেজের একটিতে স্টেন্ট বহসানো হয়। কিন্তু দুটো ব্লকেজ বাকি ছিল। এরপর সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠায় ৭ জানুয়ারি ছেড়ে দেওয়া হয় তাঁকে।

দেশের অন্যতম সেরা হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ দেবী শেঠি সমস্ত মেডিক্যাল রিপোর্ট ও সৌরভকে দেখার পর প্রাক্তন ভারত অধিনায়ককে হাসপাতাল থেকে ছাড়ার ছাড়পত্র দেন৷ সৌরভের চিকিৎসা সম্পূর্ণ ঠিকঠাক হয়েছে বলেও সন্তোষ প্রকাশ করেন বিশিষ্ট এই হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ৷ তিনি জানান সুস্থ হওয়ার পর আবার আগের মতোই স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবেন সৌরভ৷ আগের মতোই খাওয়া-দাওয়া ও নিয়মিত জিমও করতে পারবেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক৷

সৌরভের তিনটি করোনারি আর্টারিতেই ‘ব্লকেজ’ ধরা পড়ে৷ এর মধ্যে একটিতে স্টেন্ট বসানো হয়েছে৷ বাকি দু’টিতেও স্টেন্ট বসাতে হবে৷ বাকি দু’টি স্টেন্ট বসানোর সময় দেবী শেঠি উপস্থিত থাকবেন বলে আগেই তিনি জানিয়েছেন৷ তবে সেটা কখনও তা পরে চিকিৎসককরা ঠিক করবেন৷ এবার যখন ফের তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লেন তখন বাকি দুটো ব্লকেজেও স্টেন্ট বসানোর প্রশ্ন মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে।

সৌরভের মতো ৪৮ বছরের ব্যক্তি, যে ছোট থেকে নিয়মিত শরীর চর্চা করে এসেছে এবং যে নন-স্মোকিং ও নন-অ্যালকোহলিক তার এই ঘটনা দেশের সব মানুষকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে৷ এখান থেকে শিক্ষা নিয়ে সাধারণ মানুষের উদেশ্যে বিশিষ্ট এই হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ চল্লিশোর্ধ্ব ব্যক্তিরা বছরে দুু’বার অথবা অন্তত একবার করে অবশ্যই মেডিক্যাল চেক-আপ করান৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।