কানাডা: করোনা মহামারীতে বিধ্বস্ত গোটা বিশ্ব। মারণ করোনা মোকাবিলায় দেশজুড়ে লকডাউন। আর তাতেই যেন বন্যসুখ অনুভব করছে প্রকৃতি।

অদৃশ্য ভাইরাসের তান্ডবে জেরবার বিশ্ব। সংক্রমণ রুখতে আর পাঁচটা দেশের মতো লকডাউন জারি রয়েছে কানাডাতেও। তাতেই যেন প্রান ফিরে পাচ্ছে কানাডার উপকূলে বসবাসকারী হাজার-হাজার তিমি।

পৃথিবীর বৃহত্তম স্তন্যপায়ী এই তিমির বাস গভীর সমুদ্রে। তবে যন্ত্রসভ্যতার যুগে বায়ুদূষণের মতোন বেড়েছে জল দূষণও। আর এরফলে বেঁচে থাকায় যেন দুষ্কর হয়ে উঠেছে জলচর এই জীবটির।

তবে লকডাউনে নতুন করে যেন প্রান ফিরে পাচ্ছে জলের বৃহত্তম এই প্রানীটি। সম্প্রতি সমুদ্র বিজ্ঞানীরা এই লকডাউনের বাজারে তিমি সম্পর্কিত নতুন তথ্য তুলে ধরছেন আমজনতার কাছে। আর সমুদ্র বিজ্ঞানীদের রিপোর্টে যথেষ্ট উচ্ছসিত মানবকূল।

কারণ একটাই, বর্তমানে বিশ্বের প্রায় সব সমুদ্রেই জলদূষণের মাত্রা সহ একাধিক জলজ পরিবহনের আনাগোনা গিয়েছে কমে। ফলে নিশ্চিন্তে জলকেলি করতে পারছে তিমি সহ বিভিন্ন সামুদ্রিক জীবেরা।

শুধু তাই নয়, অতিসম্প্রতি কানাডার একদল গবেষক শুনিয়েছেন গভীর সমুদ্র থেকে রেকর্ড করে আনা তিমিদের গান। প্রায় ত্রিশ মিনিটের ওই রেকর্ড শুনে কার্যত আপ্লুত হয়ে পড়েছেন পরিবেশ প্রেমীরা।

ফলে বোঝাই যাচ্ছে, লকডাউন মানুষের জন্য হিতকারক না হলেও তা প্রানী কূলের কাছে যথেষ্ট আনন্দের। যেন লকডাউনে মানুষকে খাঁচাবন্দি করে প্রকৃতির উপর প্রতিনিয়ত ঘটে চলা নিদারুণ অত্যাচারের শোধ তুলছে পৃথিবী।

কানাডার ওই সমুদ্র বিজ্ঞানীদের দাবি, মানুষের মতো তিমিও সামাজিক জীব। গভীর সমুদ্রে দলবদ্ধ ভাবেই থাকতে পছন্দ করে তারা। তবে প্রতিনিয়ত যে ভাবে সমুদ্র গুলি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ যাওয়া আসা করে তাতে ক্ষতি হচ্ছে সমুদ্রের বাস্তুতন্ত্রের। যার কুফল হিসেবে মাঝেমধ্যেই নদী বা সমুদ্রে আমরা মরা মাছ ভেসে উঠতে দেখতে পাই।

তবে এই লকডাউন যেন বিশ্বজুড়ে স্তব্দ করে দিয়েছে পরিবহণের চাকা। হঠাৎ করেই পৃথিবী জুড়ে থমকে গিয়েছে ব্যবসা বাণিজ্য। আর এতেই আখেরে লাভবান হচ্ছে প্রকৃতি তথা জল-স্থলের জীবেরা। যারফলে কানাডার উপকূল থেকে শোনা গিয়েছে তিমিদের গান।

যা শুনে শিহরিত বিজ্ঞানীরা। কারন, মানুষের মতো তিমিরাও নিজেদের মধ্যে ভাব বিনিময় করে। গভীর জলে সন্তানদের সঙ্গে খেলা করে আর তিমিরা তাদের বাচ্চাদের বড়ো করে তুলতে তথা ঠিকমতো শিকার ধরা শেখাতে গান ধরে।

শুধু তাই নয়, গভীর সমুদ্রে দিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে তিমিদের গান অত্যান্ত প্রাসঙ্গিক। এতে তাদের দলের মধ্যে যোগাযোগ অক্ষুণ্ণ থাকে। তাহলে কী ভাবছেন? অফুরন্ত এই অবসরের দিনগুলিতে তিমিদের গান কেমন হয় শুনে দেখবেন কিনা একবার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.