গান স্যালুটে শেষ সম্মান সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে।

কেওড়াতলায় পৌঁছে গেল সৌমিত্রর দেহ, কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হবে শেষকৃত্য। তাঁর আগে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ফেলুদাকে স্যালুট জানাবে রাজ্য সরকার।

শেষ যাত্রায় হাঁটছেন দেব, রাজ চক্রবর্তী, কৌশিক সেন-সহ আরও বহু মানুষ।

সৌমিত্রর শেষ যাত্রায় হাজির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্র-সহ বিশিষ্ট জনেরা।

অন্তিম যাত্রায় সৌমিত্রবাবু। ইতিমধ্যে রবীন্দ্র সদন থেকে রওনা হয়েছে নিথর দেহ। পদযাত্রা করে কেওড়াতলা মহাশ্মশানের দিকে এগিয়ে যাবে শববাহী শকট। অন্তিমযাত্রায় হাঁটবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

বিকেল সাড়ে পাঁচটায় শুরু হবে শেষযাত্রা। পদযাত্রা করে রবীন্দ্র সদন থেকে সৌমিত্রবাবুর দেহ নিয়ে যাওয়া হবে কেওড়াতলা শ্মশানে। যেখানে রাজ্য সরকারের পক্ষে গান স্যালুট জানানো হবে প্রয়াত প্রবাদপ্রতীম অভিনেতাকে।

ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের অপূরণীয় ক্ষতি। কিংবদন্তি সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রয়াণে এক যুগের অবসান, ট্যুইট রেলমন্ত্রী পীযূষ গয়ালের। শোকবার্তা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর।

কিছুক্ষণের মধ্যেই রবীন্দ্রসদনে পৌঁছবে প্রয়াত সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের নিথর দেহ। আর তার আগে চলছে সেখানে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।

শেষবারের জন্যে গলফগ্রিনের বাড়িতে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের নিথর দেহ। কান্নায় ভেঙে পড়ল পরিবার।

মন খারাপ করবেন না, বাবার আদর্শকে আমরা সেলিব্রেট করব, বললেন মেয়ে পৌলমী।

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর।

পৌলমী জানিয়েছেন, দুপুর ২টোর সময় হাসপাতাল থেকে বের হবে। এরপর সেখান থেকে নিথর দেহ যাবে তাঁর গলফগ্রিনের বাড়ি। কিছুক্ষণ সেখানে থেকে সোজা চলে টেকনিশিয়ান স্টুডিওতে। এরপর সাড়ে ৩টে থেকে রবীন্দ্রসদনে শায়িত থাকবে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের নিথর দেহ।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে রয়েছেন সৌমিত্রের মেয়ে পৌলমী।

৪০ দিনের লড়াই শেষ। তাঁর ওভাবে শুয়ে থাকাটা কিছুতেই মেনে নিতে পারছিল না আপামর বাঙালি। ক্যান্সারকে হারিয়ে একের পর এক ছবি উপহার দেওয়া সৌমিত্র যেন এবারটাও জিতেই ফিরবেন। এই আশাতেই বুক বাঁধছিলেন অগণিত ভক্ত।

তবু সবকিছুরই একটা উপসংহার থাকে। সেভাবেই শেষ হয়ে গেল একটা অধ্যায়। জীবনের পরিসর ছাড়লেন বটে। বাঙালির মনে তিনি অবিনশ্বর। রবিবার বেলা ১২ টা ২৫ নাগাদ অভিনেতার মৃত্যুর খবর ঘোষণা করে বেলভিউ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৫।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।