স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের বাড়িতে গিয়ে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে বিজয়া সারলেন যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি সৌমিত্র খাঁ। মঙ্গলবার সকালে দিলীপের বাড়িতে যান সৌমিত্র। সঙ্গে ছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) সুব্রত চট্টোপাধ্যায় এবং সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু। দিলীপের কাছে আগামী দিনের জন্য আশীর্বাদ চেয়ে নিয়েছেন সৌমিত্র। সেইসঙ্গে একে অপরকে উপহার দিয়েছেন।

যুব মোর্চার জেলা কমিটিগুলি শুক্রবার দুপুরেই ভেঙে দিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। জেলা সভাপতিদেরও দিলীপ বরখাস্ত করে দিয়েছিলেন। এরপরই অষ্টমীর দিন সকালে যুব মোর্চার সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দেন সৌমিত্র খাঁ। রাজ্য যুব মোর্চার হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়েও বেরিয়ে যান। কিন্তু কয়েক ঘন্টার মধ্যেই যুব মোর্চার হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যোগ দেন সৌমিত্র খাঁ।

মুকুল রায় শিবিরের লোক বলে পরিচিত বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্রের সঙ্গে দিলীপ ঘোষ শিবিরের সংঘাত নিয়ে নানান জল্পনা সৃষ্টি হয়। সেইসঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলের দুই শীর্ষ নেতার দ্বন্দ্ব দলকে চরম অস্বস্তিতে ফেলে। কিন্তু মঙ্গলবার দিলীপ ঘোষের বাড়িতে বিজয়ার প্রণাম সারতে গিয়ে সৌমিত্র অন্তর্দ্বন্দ্ব আড়ালের চেষ্টা করলেন বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।

উল্লেখ্য, পুজোর মধ্যে দিলীপ-সৌমিত্রর এই দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসার পর ফেসবুকে একটি তাৎপর্যপূর্ণ পোস্ট করেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা। নবমীর সকালে ফেসবুক পোস্টে দলীয় কর্মীদের সংযত হওয়ার বার্তা দেন তিনি। গোষ্টীদ্বন্দ্বে না জড়িয়ে একুশে সবকটি আসন শাসকদলের হাত থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে দলবেঁধে লড়ার আহ্বান জানান অনুপম।

তিনি লেখেন, “আমরা যদি বাই চান্স হেরে যাই তাহলে তৃণমূলের অত্যাচার থেকে বাঁচতে বাংলার বাইরে, অন্য কোনও রাজ্যে বাসস্থান খুঁজতে হবে। সব থেকে বেশি সমস্যায় পড়বেন বুথ স্তরের কর্মীরা।” তাই নিজেদের স্বার্থেই সকলকে সংযত হতে বলেন তিনি।

আসলে, একুশের লক্ষ্যে যে ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করতে হবে তা বিজেপির সব স্তরের নেতাই এবার বুঝতে পারছেন। তাই রাজনৈতিক মতানৈক্য থাকলেও তাঁরা তা মিটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। এদিন সৌমিত্র খাঁ-ও দিলীপ ঘোষের বাড়িতে গিয়ে সেই বার্তাই দিলেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.