কলকাতা: আগের তুলনায় দু’দিন ভালো ছিলেন ‘ফেলুদা’৷ কিন্তু রবিবার ফের সামান্য অবনতি হয়েছে অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের৷ ফলে ফের আজই তৃতীয় দফায় ডায়ালিসিস হতে পারে তাঁর৷

হাসপাতাল সূত্রে খবর, বর্ষীয়ান অভিনেতার হিমোগ্লোবিনের মাত্রা খানিকটা কমে গিয়েছে৷ পাশাপাশি শরীরের ভিতর রক্তক্ষরণও হয়েছে নতুন করে৷ তবে আপাতত রক্তক্ষরণের সমস্যা খানিকটা মিটেছে৷

তাছাড়া তাঁর প্লেটরেট কিছুটা বেড়েছে৷ ফুসফুসের সমস্যাটাও অনেকটাই কেটেছে৷ এছাড়া আগের মতোই ভেন্টিলেশন সাপোর্টে রয়েছেন ‘ফেলুদা’৷

বর্ষীয়ান অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের কিডনির সমস্যা ধরা পড়ায় এর আগেও পর পর দু’দিন ২ বার ডায়ালিসিস করা হয়৷ এবার তৃতীয়বার তার ডায়ালিসিস হওয়ার কথা৷ গত ৬ অক্টোবর থেকে হাসপাতালে ভরতি আছেন ৮৫ বছরের অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়৷ অর্থাৎ ২৫ দিন ধরে তিনি হাসপাতালে৷

এই মূহুর্তে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলেও, মাঝে সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন। তাঁর করোনাভাইরাস রিপোর্টও নেগেটিভ আসার পর সবাই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছিলেন৷ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে বর্ষীয়ান অভিনেতাকে ‘এন্ডোট্র্যাকিয়াল ইনটিউবেশন’ তথা ভেন্টিলেশনে রেখে চিকিৎসা চলছে৷

করোনা মুক্ত হওয়ার পর আশা দেখছিলেন তাঁর গুণমুগ্ধরা। কিন্তু অষ্টমী থেকেই ফের উদ্বেগের কথা শোনাচ্ছেন ‌চিকিৎসকেরা। নার্সিংহোমের তরফে জানানো হয়েছে, এখনও বিপদ কাটেনি সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের। সমস্যা বাড়িয়েছে তার মস্তিষ্কে সংক্রমণ বা কোভিড এনসেফ্যালোপ্যাথি।

সৌমিত্রকে প্লাজমা থেরাপি ও মিউজিক থেরাপি দেওয়া হয়েছে৷ তাতে কিছুটা সুফল পাওয়া গিয়েছিল৷ স্নায়বিক চিকিৎসায় আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শও নেওয়া হচ্ছে বলে বেলভিউ হাসপাতাল সূত্রে খবর। বিদেশের চিকিৎসকদের সঙ্গে কথাও বলা হচ্ছে। বয়স হয়েছে ৮৫ বছর।

রয়েছে কো-মর্বিডিটি। বয়স এবং কো-মর্বিডিটির বিষয় দু’টি চিকিৎসার ক্ষেত্রে মাঝেমধ্যে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর দীর্ঘদিন ধরে তিনি ভর্তি বেলভিউ হাসপাতালে।

বাংলা ও বাঙালির গর্ব, বাংলা চলচ্চিত্র জগতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় তথা ‘ফেলুদা’ ও ‘উদয়ণ পণ্ডিত’ এর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল৷

এর আগে হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছিল, ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন সৌমিত্রবাবু৷ কিন্তু বুধবার তার ডায়ালিসিসের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চিকিৎসরা৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।