কলকাতা: নতুন করে শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের। করোনা সেরে গেলেও চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন না তিনি। তাই এবার তাঁকে ভেন্টিলেশনে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন চিকিৎসকেরা।

হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে, এই মুহূর্তে এছাড়া অন্য কিছু উপায় নেই চিকিত্‍সকদের কাছে। বেলভিউ হাসপাতালে চিকিত্‍সক অরিন্দম কর জানিয়েছেন, মেডিক্যাল বোর্ডের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এই মুহূর্তে ইনভেসিভ সাপোর্ট দেওয়া হবে সৌমিত্রবাবুকে।

ভেন্টিলেশনে দেওয়ার আগে তাঁর আগে স্নায়ু ও কিডনি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া হবে। সব পরামর্শ নিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, গত দু’দিন ধরে সৌমিত্র চট্টোপাধায়ের মস্তিষ্কের সাড়া দেওয়ার ক্ষমতার অনেক অবনতি হয়েছে। সেটাই এখন সবথেকে বেশি চিন্তার কারণ। কোভিড এনসেফেলোপ্যাথি বাড়ছে বলেই আশঙ্কা চিকিত্‍সকদের। চেতনাও কমে আসছে মাঝেমাঝে।

বয়স হয়েছে ৮৫ বছর। রয়েছে কো-মর্বিডিটি। বয়স এবং কো-মর্বিডিটির বিষয় দু’টি চিকিৎসার ক্ষেত্রে মাঝেমধ্যে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর প্রায় দু’সপ্তাহের বেশি সময় ধরে তিনি ভর্তি বেলভিউ হাসপাতালে।

সৌমিত্রবাবুর বয়স এবং কোমর্বিডিটি নিয়েও দুশ্চিন্তায় আছেন চিকিৎসকরা। মেডিক্যাল দলের প্রধান বলেন, ‘তাঁর ফুসফুস এবং রক্তচাপ এখন ভালোই কাজ করছে। কিন্তু আশঙ্কিত হওয়ার কারণ আছে। তাঁর প্লেটলেটের সংখ্যা কমেছে। কী কারণে সেটা হয়েছে, তা বোঝার চেষ্টা করছি।’

গত ৬ অক্টোবর থেকে হাসপাতালে ভরতি আছেন ৮৫ বছরের অভিনেতা। মাঝে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলেও ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছিলেন। গত সপ্তাহে তাঁর করোনাভাইরাস রিপোর্টও নেগেটিভ আসে। তবে তাঁর স্নায়বিক অবস্থা নিয়ে উত্‍কণ্ঠা ছিল। তারইমধ্যে আবারও উদ্বেগ বেড়েছে। অরিন্দমবাবু বলেন, ‘আমরা সবরকমভাবে চেষ্টা করছি। কিন্তু কখনও কখনও কারোর ক্ষেত্রে সেই চেষ্টা যথেষ্ট নয়। যিনি এই বয়সে রোগে ভুগছেন।’

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।