স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: এটা এলাকার মানুষদের স্বতঃস্ফূর্ত বিক্ষোভ৷ হেস্টিংসে বিজেপি অফিসে ঢোকার মুখে দলত্যাগী সাংসদ সুনীল মণ্ডলকে ঘিরে বিক্ষোভের ঘটনায় এমনই মন্তব্য করলেন তৃণমূলের প্রবীণ সাংসদ সৌগত রায়৷ তিনি এও বলেন, ‘‘দলত্যাগ বিরোধী আইন ভঙ্গ করেছে সুনীল মণ্ডল। পার্টি ওর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।’’

শনিবার সকালে বিজেপিতে আসা নবাগতদের সংবর্ধনা দেওয়ার কথা বিজেপির তরফে। সেই মতো বিজেপির হেস্টিংস অফিসে সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ আসেন তৃণমূল থেকে সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া সাংসদ সুনীল মণ্ডল (Sunil Mandal)। বিজেপির অভিযোগ, সাংসদ আসতেই তাঁর গাড়ি ঘিরে ধরে স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা। ঝান্ডা দিয়ে গাড়ির বনেটে মারা হয় বলেও অভিযোগ। পুলিশ এসে বিক্ষোভকারীদের সরাতে চেষ্টা করলেও সংখ্যা কম থাকায় তারা সেটা করতে পারেনি। ততক্ষণে অকুস্থলে এসে পৌঁছে যান বিজেপি-র কর্মী-সমর্থকরাও। পরে বাড়তি পুলিশ এনে সুনীলের গাড়ি ঘেরাওমুক্ত করা হয়। তিনি দফতরে প্রবেশ করতে পারেন। এই বিক্ষোভকে পরিকল্পিত বলে অভিযোগ করেছেন, বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার। এপ্রসঙ্গে সৌগত রায় বলেন, ‘‘সুনীল দু’বার দলের টিকিটে জিতেছেন। তার পর দলের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। তাই দলের কর্মী-সমর্থকরা তাঁর গাড়ি আটকে স্বতঃস্ফূর্ত বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। পরিকল্পনা করে কিছু করা হয়নি।’’

সুনীল মণ্ডলের উপর ‘হামলা’র ঘটনা নিয়েও কোনও কথা বলতে নারাজ পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর কটাক্ষ, “কেন সুনীলকে নিয়ে কথা বলব? হাতে গোনা লোকের মধ্যেও আসেন না সুনীল।” এদিন তৃণমূল ভবনে তিনি বলেন, “বিজেপি দুষ্কৃতীদের দল৷ ভারত জুড়ে তারা কি করে এসেছে সবাই জানে৷ এখন বাইরে থেকে দুষ্কৃতী নিয়ে এসে বাংলায় গণ্ডগোল পাকানোর চেষ্টা করছে৷”

সুনীল মণ্ডলের গাড়ির উপর ‘হামলা’ নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি লিখলেন বিজেপি-র পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়।পাশাপাশিই তিনি ফোনেও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন। বিজেপি সূত্রের খবর, কৈলাস কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গে যে আইনশৃঙ্খলা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে, এই ঘটনাই তার প্রমাণ। সুনীলের গাড়ির উপর ‘হামলা’র অভিযোগের পাশাপাশি কিছুদিন আগে ডায়মন্ড হারবার যাওয়ার পথে বিজেপি সভাপতি জেপি নড্ডার গাড়ির উপর হামলার ঘটনাও জুড়ে দিতে চাইছে রাজ্য বিজেপি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।