ফাইল ছবি।

কলকাতা: রাজনৈতিক জল্পনা কয়েক গুন বাড়িয়ে সদ্য পদত্যাগ করেছেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। বনমন্ত্রীর পদ ছাড়ার আবেদন জানিয়ে চিঠি লিখেছেন তিনি। ইতিমধ্যেই তিনি পৌঁছে গিয়েছেন রাজভবনে। কিন্তু এই অবস্থায় কী বলছে তৃণমূল?

যে সৌগত রায় কয়েকদিন আগেও বলেছিলেন যে রাজীব দল ছাড়বেন না, তিনিই কার্যত হার স্বীকার করে নিলেন।

এদিন রাজীবের পদত্যাগের পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সৌগত রায় বলেন, ‘ওনার মান ভঞ্জনের চেষ্টা হয়েছিল, মান ভঞ্জিত হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায় রাজীবকে বহুবার বোঝানোর চেষ্টা করেছে, কিন্তু উনি বুঝতে চাননি। তাঁর দাবি, ফেসবুক লাইভে যেসব বক্তব্য রেখেছেন রাজীব, তা মন্ত্রিসভায় রাখতে পারতেন।

মন্ত্রিসভার বৈঠকে যোগ না দিয়ে দলের শৃঙ্খলাভঙ্গ করেছেন বলেও দাবি জানিয়েছেন তিনি। সৌগত রায়ের মতে, এমন কাজের জন্য রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দল ব্যবস্থা নিতে পারত। কিন্তু, তার আগেই তিনি পদত্যাগ করেছেন।

ঠিক দু’দিন আগেই নাম না করে রাজীবকে আহ্বান জানিয়েছিএলন শুভেন্দু। বলেছিলেন, সবার জন্যে বিজেপির দরজা খোলা রয়েছে।

সভা থেকে সমস্ত বেসুরো তৃণমূল নেতাদের উদ্দেশ্যে শুভেন্দু বলেন, তৃণমূল পাইভেট কোম্পানিতে থাকতে হলে কর্মচারী হয়েই থেকে যেতে হবে। তবে সহযোদ্ধা কিংবা সহকর্মী হিসাবে যদি থাকতে চান তাহলে অবশ্যই বিজেপিতে আসুন। তবে রাজীব কিংবা প্রবীর ঘোষালরা বিজেপিতে যোগ দেবেন কিনা সেই বিষয়ে কিছু স্পষ্ট ভাবে জানাননি নন্দীগ্রামের প্রাক্তন এই বিধায়ক।

এর আগেও সহকর্মী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিজেপিতে (BJP) যোগদানের আহ্বান জানান শুভেন্দু অধিকারী। পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোণার খেজুরডাঙার সভায় শুভেন্দু বলেন, “আমি বাধাপ্রাপ্ত হয়েও বেরিয়ে এসেছি। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়েরও বেরিয়ে আসা উচিত। যাঁরা কর্মচারী হয়ে থাকতে চান না, তাঁরা সবাই বেরিয়ে আসুন।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।