ফাইল চিত্র

স্বাগত ঘোষ: আজও বাগান জনতার নয়নের মনি তিনি। ম্যাচ শেষে গ্যালারি যতই ‘ডিকা…ডিকা’ ধ্বনি তে মুখর হোক না কেন, এদিনও বাগানের দুটি গোলের নেপথ্য কারিগর তিনিই। তা সে ৩০ মিনিটে বাগানের পেনাল্টি পাওয়াই হোক কিংবা ৬৮ মিনিটে ডিকার গোল। দুটি গোলের পিছনেই ছিল ম্যাজিশিয়নের ম্যাজিক টাচ।

ম্যাচ শেষে স্টেডিয়ামের গেট দিয়ে একাই বেরোচ্ছিলেন। গাড়িতে ওঠার আগে মিনার্ভা ম্যাচের দুই গোলের নেপথ্য কারিগর যেন আদ্যোপ্রান্তো টিমম্যান। বললেন, ক্লাবের বর্তমান পরিস্হিতি সম্পর্কে সবাই ওয়াকিবহাল। তার উপর দীর্ঘদিন ক্লাব জয়ের মধ্যে ছিল না। তবে মিনার্ভা ম্যাচ জয়ে সেই দমবন্ধকর অবস্হা কিছুটা কাটল বলেই মত হাইতিয়ান ম্যাজিশিয়নের।

আরও পড়ুন: জয় দিয়ে বাগানে অভিযান শুরু খালিদের

দলের হাজার খারাপ অবস্হার মধ্যেও আশা-ভরসার স্হলপাত্র তিনিই। চোট সারিয়ে রিয়াল কাশ্মীর ম্যাচে ফিরেই চোখ ধাঁধানো ফ্রি-কিক থেকে গোল। দল না জিততে পারলেও ব্যক্তিগত মুন্সিয়ানায় জাত চিনিয়েছিলেন হাইতিয়ান। আর বুধবার তাঁর পা থেকে গোল না এলেও দলের জয়ে নেপথ্য নায়ক হয়ে রইলেন তিনি। সনির কাছে দলের জয়ই শেষ কথা।

নয়া কোচের বিশেষ কী বার্তা ছিল তাঁর প্রতি? উত্তরে বাগানের প্রাণভোমরা জানালেন, ‘যেহেতু প্রত্যেক কোচেরই আমাকে আটকানোর আলাদা ছক থাকে, তাই নতুন কোচ আমায় উইংয়ে বেশি সময় দিতে বারণ করেছিলেন। আমায় ফ্রি হয়ে খেলার নির্দেশ দিয়েছিলেন উনি।’

আরও পড়ুন: ‘ম্যাচ বাই ম্যাচ’ ভাবতে চান খালিদ

নয়া কোচের নির্দেশে ফ্রি-ফুটবলার হয়ে এদিনও তাঁর বেশ কিছু মুভ হয়ে থাকল ম্যাচের সেরা। আর বাগান মাঝমাঠের পিলারকে ডিকার গোলের পিছনে তাঁর ডিফেন্স চেরা থ্রু সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে টিমম্যান সনি জানালেন, ‘মিডফিল্ডারদের কাজ স্ট্রাইকারদের উদ্দেশ্যে বল বাড়ানো। আমি ঠিক সেই কাজটাই করেছি।’

নতুন কোচের অধীনে জয়ের সরনিতে ফিরে সনি যদিও কৃতিত্ব ভাগ করে নিলেন সতীর্থদের সঙ্গে। চ্যাম্পিয়ন শিপ নয়, বরং নর্ডির লক্ষ্য খালিদের কোচিংয়ে নয় ম্যাচের প্রত্যেকটিতে জয়। সেই লক্ষ্যে বুধের বিকেলে কেবল প্রথম হার্ডলস টপকালো দল, মনে করেন সনি।