মুম্বইঃ ভারতে করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ (Covid 19 second wave) আছড়ে পড়ার শুরু থেকেই যে জিনিসটা সাংঘাতিক মাত্রায় নজর কেড়েছে তা হল, অক্সিজেনের ঘাটতি। অক্সিজেনের অভাবে কাতরে কাতরে অনেক করোনা রোগীর প্রাণ গিয়েছে। ভারতের শহরাঞ্চলের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে এই চিত্রটা আরও বেশি প্রকট। কারন আজও ভারতের গ্রামীণ এলাকার স্বাস্থ্য ব্যবস্থার হাল খুবই খারাপ। তাই অভিনেতা সনু সুদ (Sonu Sood) আগেই জানিয়েছিলেন, ভারতের গ্রামাঞ্চলের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উন্নত করার লক্ষ্যে তিনি সেই সব অঞ্চলে অক্সিজেন প্ল্যান্ট (Oxygen Plant) বসাবেন। আর সেই লক্ষ্য পূরণের কাজ তিনি ইতিমধ্যে শুরুও করে দিয়েছেন।

অন্ধ্রপ্রদেশের (Andhra Pradhesh) নেল্লোর (Nellore) এবং কুর্নুল (Kurnool) শহরে অক্সিজেন প্ল্যান্ট স্থাপন করেছেন। এবার তিনি ঘোষণা করেছেন , সারা দেশের ১৬ থেকে ১৮টি রাজ্যে অক্সিজেন প্ল্যান্ট স্থাপন করবেন। চলতি মাসেই এই লক্ষ্যে কাজ শুরু হয়ে যাবে। যত দ্রুত সম্ভব সেপ্টেম্বরের মধ্যেই কাজ সম্পুর্ন করার আশা রাখছেন অভিনেতা।

এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া টেলিফোনিক সাক্ষাৎকারে সনু বলেছেন, ‘প্রায় সব রাজ্যতেই অক্সিজেন প্ল্যান্ট স্থাপনের চেষ্টা করছি। মূলত যেসব হাসপাতালে ১৫০ থেকে ২০০টি বেড রয়েছে, সেই সব হাসপাতালের কাছেই অক্সিজেন প্ল্যান্ট স্থাপন করার চেষ্টা চালাচ্ছি। যাতে সেখানে অক্সিজেনের ঘাটতি না দেখা যায়। রোগীদের অক্সিজেনের জন্যে বহু দূরের হাসপাতালে যেতে হয়। ফলে পথেই কত রোগীর মৃত্যু হয়। আশা করি পরে আর এই ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হবেন না তারা’।

অভিনেতা জানান,বর্তমানে ৭ হাজারটি অক্সিজেন কনসেনট্রেটর (Oxygen Concentrator) সারা ভারত জুড়ে অক্সিজেনের জোগান দিচ্ছে। কিন্তু এটা দীর্ঘ মেয়াদি পন্থা নয়। সুতরাং তার এই নয়া উদ্যোগে দেশ জুড়ে অক্সিজেন প্ল্যান্ট স্থাপন করা হলে, চিরদিনের মতই দেশ থেকে অক্সিজেনের ঘাটতি দূর হবে। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, দেশ জুড়ে অক্সিজেন প্ল্যান্ট বসানোর হলে কাউকে আর অক্সিজেনের অভাবে প্রান হারাতে হবে না। করোনার তৃতীয়, চতুর্থ ঢেউ কিংবা করোনা মহামারী (Covid pandemic) চলে গেলেও গ্রাম এবং জেলা গুলিতে অক্সিজেনের জোগান সব সময় থাকবে’।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.