মুম্বই: করোনা পরিস্থিতে দীর্ঘ লকডাউনে বিপাকে পড়া পরিযায়ী শ্রমিকদের ‘মসিহা’ হয়ে উঠেছিলেন তিনি৷ অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ানো সোনু সুদকে কুর্নিশ জানিয়েছিল আপামর দেশবাসী৷

এবার সেই সোনু সুদেরই নাম জড়াল বিতর্কে৷ তাঁর বিরুদ্ধে বিনা অনুমতিতে বসত বাড়ি হোটেলে বদলে ফেলার অভিযোগ আনল বৃহন্মুম্বই পুরসভা৷

অভিনেতার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগও দায়ের করেছে বিএমসি৷ অভিযোগ, সোনু জুহুতে অবস্থিত ছয় তলা আবাসন শক্তি সাগরকে বিনা অনুমতিতে হোটেলে বদলে ফেলেছেন৷ গত বছর লকডাউনে এই আবাসনেই কোয়ারেন্টাইনের বন্দোবস্ত করেছিলেন তিনি৷ বিএমসি’র অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করতে চলেছে মুম্বই পুলিশ৷

অভিযোগ প্রমাণিত হলে যথাযথ পদক্ষেপ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে৷ যদিও এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন সোনু৷ অভিনেতার দাবি, তাঁর কাছে প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র রয়েছে৷ আপাতত মহারাষ্ট্র জোন ম্যানেজমেন্ট অথোরিটির ছাড়পত্রের অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি৷ যা করোনা পরিস্থিতির কারণে আটকে রয়েছে৷ আইন বিরোধী কোনও কাজ তিনি করেননি৷

সোনু বলেন, ‘‘করোনা যোদ্ধাদের জন্য এই হোটেল করা হয়েছে৷ যদি মহারাষ্ট্র জোন ম্যানেজমেন্ট অথোরিটির অনুমোদন না আসে, তাহলে হোটেল বন্ধ করে দেব৷’’

এদিকে সোনুর বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের হতেই সরব বিজেপি নেতা রাম কদম৷ তিনি বলেন, কঙ্গনা রানাউতের পর সোনু সুদের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছে মহারাষ্ট্র সরকার৷ তাঁর কথায়, করোনা পরিস্থিতিতে সোনু সুদ যে মানবিক কাজ করেছেন তা মেনে নিতে পারেনি শিব সেনা সরকার৷ সেকারণেই তাঁকে টার্গেট করা হয়েছে৷

এই ঘটনার পরেই তিনি টুইট করে বলেন, ‘‘আরও একবার প্রতিশোধের রাজনীতি শুরু করল শিবসেনা৷ সমাজসেবী অভিনেতা সোনু সুদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ রাজনৈতিক ভাবে উদ্দেশ্য প্রণোদিত৷ আমরা জানি এর আগে কী ভাবে কঙ্গনা রানাউতকে টার্গেট করা হয়েছে৷ শিব সেনা গোড়া থেকেই সোনু সুদের মানবিক কাজের বিরোধী৷’’ ‘‘কতজনের কণ্ঠ রোধ করবে?’’ টুইট করে প্রশ্ন তোলেন তিনি৷

এদিকে বিএমসি’র অভিযোগ, সোনু বিনা অনুমতিতেই বসত বাড়ি হোটেলে বদলে ফেলেছেন৷ মহারাষ্ট্র রিজিয়ন অ্যান্ড টাউন প্ল্যানিং আইনের আওতায় জুহু থানায় মামলাও দায়ের করে বিএমসি৷ তাদের কথায়, নোটিশ দেওয়ার পরও কাজ করেননি অভিনেতা৷ এমনকী এই নোটিশের বিরুদ্ধে নগর দায়রা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অভিনেতা৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।