বেঙ্গালুরুঃ মাঝরাতে সোনুর টিমের কাছে ফোন আসে। বেঙ্গালুরুর এক হাসপাতালে ২২ জন করোনা রোগী অক্সিজেন সংকটে ভুগছেন। খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে সোনুর টিম অক্সিজের ঘাটতি মেটাতে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ১৫টি অক্সিজেন সিলিন্ডারের ব্যবস্থা করেন। অক্সিজেন পেয়ে প্রান বেঁচে যায় ওই ২২ জন মর্মাহত করোনা রোগীর।

মঙ্গলবার সোনুর টিমের কাছে এক ইন্সপেক্টরের ফোন আসে। তিনি জানান, বেঙ্গালুরুর আরাক হাসপাতালের (ARAK Hospital) অক্সিজেন সংকটের কথা। আরও বলেন, অক্সিজেনের অভাবে ইতিমধ্যে ২ জন করোনা রোগীর মৃত্যুও হয়েছে। খবর পেয়ে যত দ্রুত সম্ভব সোনুর টিম ব্যবস্থা করেন ১৫ টি অক্সিজেন সিলিন্ডারের। যা প্রাণ বাঁচায় ২২ জন করোনা রোগীর।

এই প্রসঙ্গে সোনু জানান, ‘এই কঠিন পরিস্থিতিতে দেশবাসীর সহায়তার জন্যে আমি এবং আমার টিম সব সময় প্রস্তুত। ইন্সপেক্টর সত্যনারায়ণের কাছ থেকে ফোন পাওয়া মাত্রই আমার টিম খবরটি যাচাই করে নেয়। তারপর যত দ্রুত সম্ভব সাহায্যে লেগে পড়ে। সারারাত ধরে তারা ছোটাছুটি করেছে। হাসপাতালের জন্যে অক্সিজেন সিলিন্ডার যোগার করেছে। সামান্য দেরি হয়ে গেলে হয়ত বহু পরিবার তাদের প্রিয়জনদের হারিয়ে ফেলত’।

অভিনেতা আরও বলেছেন, ‘গত রাতে যারা সাহায্যের জন্যে এগিয়ে এসেছেন তাঁদের প্রত্যেককে আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমার টিমের প্রতিটা সদস্য যেভাবে সাহায্যের জন্যে এগিয়ে এসেছে তাতে আমি ভীষণই খুশি। এভাবেই তারা পাশে থাকলে ভবিষ্যতে আরও বহু মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারব। বহু মানুষের প্রান বাঁচবে’।

সোনুর টিমের পাশাপাশি সাহায্যের জন্যে এগিয়ে এসেছিল পুলিশও। বেঙ্গালুরুর ওই হাসপাতাল থেকে এক রোগীকে অন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্যে অ্যাম্বুলেন্স মিলছিল না। সেই মুহুর্তে পুলিশ তাদের গাড়ি করে ওই রোগীকে হাসপাতাল পৌঁছে দিয়েছিল।

করোনা মোকাবিলায় অভিনেতা সোনু সর্বক্ষণ সাধারণ মানুষের পাশে থেকে এসেছেন। গঠন করেছেন একটি দাতব্য সংস্থা। যারা প্রতিনিয়ত সাহায্য করে আসছে সাধারণ মানুষের। সম্প্রতি মানুষকে ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্যে অনুপ্রাণিত করার জন্যে সোনু এবং তার টিম গঠন করেছন একটি উদ্যোগ। ‘Sanjeevani – A Short of Life’ নামক একটি অভিযান চালাচ্ছেন। যা মানুষকে সচেতন করবে টীকা গ্রহণের বিষয়ে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.