Sonu Sood

মুম্বইঃ সোনু সুদ এই নামের আলাদা করে পরিচয় দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। একজন অভিনেতা হিসাবে নিজের পরিচয় গড়লেও এখন তার নতুন পরিচয় মানবদরদী কিংবা বলা চলে ‘মসিহা’। করোনা জর্জরিত এই দেশে যিনি নিজের কথা ভুলে কেবলই ভেবে গিয়েছেন মানুষের কথা। করোনা মহামারীতে দিন রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। নিজের সাধ্য মত চেষ্টা করছেন যাতে একটি প্রানও বিনা চিকিৎসায় না যায়। কিংবা অর্থের অভাবে কাউকে খালি পেটে ঘুমাতে না হয়। সম্প্রতি ‘বিগ বস ১৪’র প্রতিযোগী রাখি সাওয়ান্ত সোনুকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, সোনু সুদকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দেখতে চান তিনি। রাখির এই মন্তব্যের জবাব মিলেছে সোনু সুদের কাছ থেকে।

মঙ্গলবার সোনু তার বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে থাকা চিত্র সাংবাদিকদের রিফ্রেশমেন্ট ড্রিঙ্ক বিতরণ করছিলেন। সেই সাংবাদিকদের মধ্যে থেকে একজন জিজ্ঞসা করেন, রাখি সাওয়ান্তের সোনুকে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দেখতে চাওয়ার মন্তব্যে তিনি কি বলবেন। এর উত্তরে অভিনেতা জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষ হিসাবেই তিনি বেশি খুশি। সোনুর ভাষায়, ‘হাম আম ইনসান আচ্ছে হ্যায় ভাই, আম ইনসান বেটার হ্যায়’ (Hum aam insaan ache hay bhai, aam insaan better hay)। ঠিক তার পরেই উল্টো দিক থেকে আরও একজন সাংবাদিক তাকে বলেন, ‘আপনি কেন রাজনীতিতে আসার চেষ্টা করছেন না?’ তার উত্তরে সোনুর স্পষ্ট জবাব, ‘ভাই লোগ খাড়ে হ্যায় না হামারে, কেয়া করেঙ্গে ইলেকশনস মে খাড়ে হো কে? উহ আপনা কাম নেহি হ্যায়’। অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে রাজনীতিতে যুক্ত হতে একেবারেই চান না অভিনেতা। একজন মানুষ হিসাবেই কেবল অপর মানুষের পাশে দাঁড়াতে চান তিনি। সেই উদ্দেশেই তিনি এবং তার টিম অক্লান্ত পরিশ্রম দিয়ে যাচ্ছেন মানুষের সহযোগিতায়। রাজনীতিকে নিজের থেকে দূরেই রাখতে চান সোনু।

সম্প্রতি নিজের বেশ কিছু সম্পত্তি বন্দক রেখেছেন ‘দাবাং’ অভিনেতা সোনু। ১০ কোটি টাকা জোগাড় করার জন্যে। যে টাকাটা তিনি করোনা মোকাবিলায় কাজে লাগাবেন।

তবে রাখি সাওয়ান্ত সোনুর পাশাপাশি সলমান খানের নামও নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী হিসাবে। কারণ সম্প্রতি তার মায়ের অপারেশনের জন্যে অর্থ সাহায্য করেছেন সলমান খান। সেই কারণে সলমানের কাছে আগেও বহুবার বহু ক্ষেত্রে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন রাখি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.