মুম্বই: ফতোয়ার মুখে নিজের মাথাই কামিয়ে ফেললেন সোনু নিগম।  মুসলিম না হওয়া সত্ত্বেও কেন আজানের আওয়াজে ঘুম ভাঙবে, ট্যুইটারে এই প্রশ্ন করে বিতর্কের মুখে পড়ে যান এই সঙ্গীতশিল্পী।  এরপরই পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যালঘু সমিতির ভাইস প্রেসিডেন্ট সঈদ শাহ আতেফ আলি আল কাদেরি ঘোষণা করেন, যে সোনু নিগমের মাথা কামাতে পারবে ও পুরনো জুতোর মালা পরাতে পারবে তাকে ১০ লক্ষ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।  তাই সেই ফতোয়ার জবাবে বুধবার নিজেই নিজের মাথা কামিয়ে ফেললেন সোনু নিগম।

মাথা কামানোর আগে, বুধবার সইদ শাহ আতেফ আলি আল কাদেরির এই মন্তব্যকে উল্লেখ করে সোনু আবার একটি ট্যুইট করেন , লেখেন “তাহলে এগুলো সাম্প্রদায়িক গুণ্ডাগিরি নয়”।  সোনু একটি সাংবাদিক বৈঠকে জানান যে, ধর্মীয় ইস্যু হিসেবে না, সামাজিক ইস্যু হিসেবে ট্যুইটারে এই ‘আজান’ নিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি।

সোনু নিগম বলেন, “আমি একজন ধর্মনিরপেক্ষ মানুষ। এটা আজানের ব্যাপারে ছিল না। এটা জোরে আওয়াজের জন্য ছিল। স্পিকারে রোজ জোরে কিছু চালানো আমার কাছে গুন্ডাগিরি।  তিনি সঙ্গে আরও বলেন, “দেশের কী হয়েছে? যে যাকে খুশি দোষী বানাচ্ছে, যে যার উপর ইচ্ছা ফতোয়া জারি করছে।  আমি কোনও ধর্মের কথা বলছি না।” তিনি বলেছেন যে মন্দির ও গুরুদোয়ারা নিয়েও তিনি বিওলেছেন, কিন্তু সেটা কারও নজরে আসেনি।

- Advertisement -