শিবপ্রিয় দাশগুপ্ত : কংগ্রেস হাইকম্যান্ড সোনিয়া গান্ধী বৃহস্পতিবার রোদেশ নেতৃত্বকে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ নিয়রে ধমক দিয়েছিলেন। আর এই ধমকের জেরে রবিবার কংগ্রেস তাদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ সম্পূর্ণ করলো। মোট ৯১টি আসনের মধ্যে ৮২টি আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছিল। বাকি ৯টি পি প্রার্থীর নাম রবিবার ঘোষণা করলো কংগ্রেস । তবে এর পরেও জোটের মসৃণতা এলো না। কারণ বেশ কয়েকটি আসন নিয়ে এখনও বামেদের সঙ্গে জট রয়েই গেছে কংগ্রেসের।

এআইসিসি তৃতীয় ও চতুর্থ দফার প্রার্থী হিসেবে ৩৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে রবিবার। প্রথম দফার ১৪ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছিল এআইসিসি । তার পর বাকি প্রার্থীদের নাম কেন প্রদেশ কংগ্রেস থেকে এআইসিসি -র কাছে আসছে না তা নিয়ে বৃহস্পতিবার সোনিয়া গান্ধী প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী ও প্রদেশ কংগ্রেস নিরেট আব্দুল মান্নানকে প্রশ্ন করেন। কংগ্রেস সূত্রে জানা গেছে সেই বৈঠকে সোনিয়া গান্ধী এই দুই প্রদেশ নেতাকে ভর্ৎসনা করেন। বলেন, “বামেদের সঙ্গে জোট হয়ে যাওয়ার এতো দিন পরেও যদি প্রার্থী তালিকা প্রকাশ না করা যায় তাহলে মানুষের কাছে কী বার্তা যাবে?” এর পরই নড়েচড়ে বসে প্রদেশ নেতারা। পাঠানো হয় এআইসিসি -র কাছে প্রার্থীদের নামের তালিকা। তাই বলা যায় সোনিয়ার হস্তক্ষেপে শেষ পর্যন্ত কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকা নিয়ে সঙ্কট কাটলো।

তবে এখনও কিছু আসন নিয়ে বামেদের সঙ্গে কংগ্রেসের ভুল বোঝাবুঝি রয়ে গেছে। এর মধ্যে রয়েছে, বালিগঞ্জে ও জয়নগর আসন। এই দুই আসনে সিপিএম প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে। এছাড়াও রবিবার যে প্রার্থী তালিকা কংগ্রেস ঘোষণা করেছে তার মধ্যে রয়েছে পুরুলিয়ার জয়পুর আসনটি। এই আসনে ফরওয়ার্ড ব্লক প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে। জয়পুরে কংগ্রেসও প্রার্থী ঘোষণা করেছে। তবে প্রদেশ নেতৃত্ব বিমান বসুর সঙ্গে আলোচনায় বসে এই সমস্যা সমাধান করতে পারবে বলে আশাপ্রকাশ করেছে। এই প্রসঙ্গে সিপিএম কেন্দ্রীয় কমিটির এক নীতার সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, “এসব প্রথম থেকেই আলোচনা করে ঠিক করার পর কেন কংগ্রেস এভাবে একই কেন্দ্রে বামেরা প্রার্থী দেওয়ার পর প্রার্থী দিচ্ছে সেটা নিয়ে কী বলবো? তবে আশা করছে বিমান বসুর সঙ্গে প্রদেশ নেতৃত্ব আলোচনা করে দ্রুত এই সমস্যা কাটিয়ে প্রচারে নামবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.