নয়াদিল্লি: একুশের নির্বাচনে পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের পারফরম্যান্স নিয়ে আগেই মুখ খুলেছিলেন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী (Sonia Gandhi)। কেন দলের এমন ভরাডুবি হল তা খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানিয়েছিলেন কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভাপতি। সোমবার কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির (Congress Working Committee) বৈঠকে পাঁচ রাজ্যে নির্বাচনে দলের ফল নিয়ে সরব হলেন সোনিয়া গান্ধী।

কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির সভায় উদ্বোধনী বক্তব্য দেওয়ার সময়, সোনিয়া গান্ধী (Sonia gandhi) বলেন, নির্বাচনের ভরাডুবি নিয়ে অসম, কেরল, তামিলনাড়ু, পুডুচেরি এবং বাংলার প্রবীণ নেতাদের খোলামেলাভাবে আলোচনা করতে হবে। আমরা চাই তারা আমাদের বলুক কেন নির্বাচনের ফল এতটা হতাশাজনক হয়েছে। এই ফলাফল আমাদের পরিষ্কারভাবে বলছে যে, আমাদের সংগঠনটি আরোও সাজিয়ে তোলা দরকার। তিনি আরো বলেন, আমাদের অসুবিধার বিষয়গুলো নিয়ে আরো পর্যালোচনা করতে হবে। এই ফলাফল নিয়ে আমরা হতাশ। এই বিপর্যয়ের কারণ খতিয়ে দেখতে কয়েকজন সদস্যের বিশেষ কমিটি গঠন করার পরিকল্পনা করেছি। সেই কমিটি আমাকে দ্রুত রিপোর্ট জমা দেবে। সেই রিপোর্ট অনুযায়ী আমরা পরবর্তী ব্যবস্থা নেব।

অন্যদিকে, কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচন নিয়ে আলোচনার বিষয়ে জোর দিয়েছেন সোনিয়া। ২৩ জুন নির্বাচনের দিন ধার্য্য করা হয়েছে। ৭জুনের মধ্যে নমিনেশন জমা দিতে হবে। যাইহোক, কিছু নেতা বিরোধিতা করার পরে ভোটগ্রহণের তারিখ চূড়ান্ত হয়নি। গত এক বছরে গোলাম নবী আজাদ, আনন্দ শর্মা, শশী থারুর এবং কপিল সিবালের মতো প্রবীণ নেতারা স্থায়ী এবং সক্রিয় সভাপতি নির্বাচনের দাবি জানিয়ে এসেছেন। এদিন দেশে করোনা পরিস্থিতিতে ফের মোদী সরকারের সমালোচনায় সরব হন সোনিয়া। এর আগেও দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা করেছিলেন সোনিয়া

উল্লেখ্য, পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের রীতিমতো ভরাডুবি হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে কোনও আসনেই জিততে পারেনি কংগ্রেস। অসম, তামিলনাড়ু, কেরলের মতো রাজ্যেও দল সেভাবে সাফল্যঅর্জন করতে পারেনি। এই প্রেক্ষিতে দলের পরাজয় নিয়ে সোনিয়ার এমন মন্তব্য উল্লেখযোগ্য বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.