নয়াদিল্লি: মুম্বই কর্মক্ষেত্র হলেও সোনমের শ্বশুরবাড়ি লন্ডনে। তাই মুম্বই এবং লন্ডনের মধ্যে যাতায়াত লেগেই থাকে সোনম কাপুরের। সম্প্রতি এক ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন তিনি।

ট্যুইটারে সেই সাঙ্ঘাতিক অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন সোনম কাপুর। সোনম তাঁর ট্যুইটে লন্ডনের উবের অ্যাপ-এর উল্লেখ করে বলেছেন ওই অ্যাপের একটি ক্যাব বুক করে তাঁর একটি ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সবাইকে সাধারণ যানবাহন ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছেন অভিনেত্রী।

সোনম কাপুর বিয়ের পরে এখন লন্ডন-মুম্বই করতে থাকেন প্রায়ই। স্বামী আনন্দ আহুজা যেহেতু লন্ডনবাসী, তাই অনেকটা সময় ওই শহরেই থাকেন তিনি। অভিনেত্রীর এই অভিজ্ঞতার পরে আনন্দ আহুজাও সবাইকে সাধারণ যানবাহন ব্যবহার করতে অনুরোধ করেছেন। সোনম ও আনন্দ দুজনেরই বক্তব্য, এই অ্যাপ ক্যাবগুলি একেবারেই নিরাপদ নয়।

সোনম প্রথম ট্যুইটে বলেন যে তাঁর এক ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা হয়েছে। পরে আরও জানান যে, ঠিক কী অভিজ্ঞতা হয়েছে তাঁর উবেরে। সোনম লেখেন, ড্রাইভার ”প্রকৃতিস্থ ছিলেন না। সারাক্ষণ শুধু গজরাচ্ছিলেন আর আমার উপর চিৎকার করছিলেন। আমি এত ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। পুরো রাইডটা কাঁপতে কাঁপতে এসেছি।”

সোনমের এই টুইটের পরেই উবের লন্ডন-এর পক্ষ থেকে সোনমকে টুইটারে অনুরোধ জানানো হয় তাঁর কনট্যাক্ট ডিটেলস শেয়ার করার জন্য। গোটা ঘটনায় বিধ্বস্ত সোনম তার উত্তরে লেখেন– ”আপনাদের অ্যাপে আমি অভিযোগ জানানোর চেষ্টা করেছিলাম। শুধুই খাপছাড়া কিছু উত্তর পেলাম বট থেকে। আপনাদের অ্যাপের সিস্টেমটা একটু আপডেট করুন। যা হওয়ার হয়ে গেছে। আর কিছুই করার নেই আপনাদের।”

সোনমের ট্যুইটের পরেই তাঁর স্বামী আনন্দ আহুজা সোনমের টুইটটি শেয়ার করে লেখেন, ”অনুগ্রহ করে উবের চড়া বন্ধ করুন, বিশেষ করে লন্ডনে। আমরা একেবারেই বন্ধ করে দিয়েছি প্রায়। হেঁটে যান, বাইকে যান, ট্রেন-বাস যা খুশি, এমনকী লন্ডনের ব্ল্যাক ক্যাবও ভাল।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।