মুম্বই : ‘বিশ্ব বই দিবস’। বইপ্রেমী মানুষদের কাছে এই বিশেষ দিনটির গুরুত্ব অপরিসীম। কারণ অজানাকে জানা, অচেনাকে চেনার যেমন শেষ নেই তেমনই জ্ঞানের বিকাশে বইয়ের দ্বিতীয় কোনও বিকল্প নেই।

আর তাইতো প্রতি বছর ২৩ এপ্রিল এই দিনে বিশ্ব বই দিবস পালন করা হয়ে থাকে। আমাদের জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যায় সবসময় বই হল সেরা সঙ্গী। মন ভালো রাখতে, জ্ঞানের বিকাশ ঘটাতে আমাদের জীবনে এর অবদান কখনই ভোলার নয়।

তবে শুধু আমরা নয়, কাজের অবসরে বা রাতে শোওয়ার আগে এক পৃষ্ঠা হলেও বই পড়তে দারুণ ভালোবাসেন বহু বলি সেলেবরা। আপনি শুনলে অবাক হবেন বি-টাউনের অনেক সেলিব্রেটিই বইপোকা। বইয়ের প্রতি প্রেম থেকে নিজেদের জন্য তৈরি করে ফেলেছেন আস্ত একটা লাইব্রেরি। কী নেই সেখানে। তাহলে আসুন একবার জেনে নিই কোন কোন সেলেবরা বই পড়তে খুব ভালোবাসেন।

১. সোনালী বেন্দ্রে : বলিউডের এই জনপ্রিয় নায়িকা ভীষণ বইপ্রেমী। বই পড়তে এবং কিনতে এতটাই ভালোবাসেন যে অনলাইনে তাঁর ‘সোনালী বুক ক্লাব’ নামে বইয়ের দোকান রয়েছে। শুধু তাই নয়, ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ খ্যাত অভিনেত্রী আরও জানিয়েছেন ক্যান্সারের চিকিৎসার সময় নিউইয়র্কে থাকাকালীন তাঁর বই কতটা সাথ দিয়েছিল নায়িকাকে। এছাড়াও মহারাষ্ট্রে লকডাউন চলাকালীন নতুন নতুন বহু বই কিনেও পড়ে ফেলেছেন তিনি।

২. সইফ আলি খান : বলিউডের এই হিরোও ভীষণ বইপ্রেমী। অবসর সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় নয়, বই পড়ে কাটাতে ভালোবাসেন তিনি। শুধু তাই নয়, অনেক সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় সইফ সহধর্মিণী করিনা কাপুর খানকে দেখা গিয়েছে তাঁর বই পড়ার বিভিন্ন সময়ের ছবি পোস্ট করতে। এমনকি গতবছর লকডাউনের সময়ও গৃহবন্দী অবস্থায় অনেক বই পড়ে ফেলেছেন তিনি।

৩. শ্বেতা তিওয়ারী : জনপ্রিয় এই টেলি অভিনেত্রীর রিল্যাক্সের একমাত্র মাধ্যমই হল বই। প্রিয় বইয়ের সঙ্গে এক কাপ কফি শ্বেতার অবসর যাপনের যথেষ্ট।

৪. সোহাআলি খান : ভাইয়ের মতোই নিজেও বই পড়তে ভালোবাসেন সোহা আলি খান। রঙ দে বসন্তী খ্যাত এই অভিনেত্রীকে ইন্সটাগ্রামে ভক্তদের সঙ্গে বই পড়ার ছবি শেয়ার করতে দেখা গিয়েছে।

৫. আলিয়া ভাট : বইপড়া নিয়ে ট্রোলড হলেও বই পড়তে খুব পছন্দ করেন আলিয়া ভাট। লকডাউনের সময়ও নানারকম বই পড়ে সময় কাটিয়েছেন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.