নয়াদিল্লি: সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস আর অসৎ সঙ্গে নরকবাস। বিশেষ প্রচলিত এই প্রবাদটির যথার্থতা খুজে পাচ্ছেন অভিনেত্রী সোনাক্ষী সিনহা। তবে এই প্রবাদটি তাঁর নিজের জীবনে নয় জনক শত্রুঘ সিনহার জীবনে খুজে পাচ্ছেন সোনাক্ষী।

জল্পনার অবসান ঘটিয়ে কংগ্রেস যোগ দিয়েছেন বিজেপি নেতা শত্রুঘ্ন সিনহা। বৃহস্পতিবার তিনি নিজেই এই কথা জানিয়েছেন। শুধু তাই নয়, ওই দিন তিনি কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর সঙ্গেও দেখা করেন।

প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এই দল বদলের বিষয়ে তনয়া সোনাক্ষী তাঁর পাশে পাশে দাঁড়িয়েছেন। অভিনেত্রী বলেছেন, “বিজেপি ছেড়ে কংগ্রেস যোগ দেওয়া বাবার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। আমার মনে হয় যেখানে আপনি ভালো থাকতে পারছেন না সেই জায়গা ত্যাগ করা উচিত। আর সেটাই উনি করেছেন।” একই সঙ্গে তিনি আরও বলেছেন, “আমি মনে হয় কংগ্রেসের সঙ্গে নতুন বন্ধুত্ব বাবার হতাশা কাটিয়ে দেবে। আরও ভালো কার করতে উদ্বুদ্ধ হবে।”

আরও পড়ুন- গুচ্ছ গুচ্ছ বানান ভুল, নরেন্দ্র মোদী বানানেও ভুল বঙ্গ বিজেপি’র

বিজেপির সঙ্গ দীর্ঘদিন ধরে রয়েছেন বিহারীবাবু অভিনেতা শত্রুঘ্ন। তবে গত পাঁচ-সাত বছর ধরে সেই সম্পর্কে ছেদ পড়ে। ২০১৪ লোকসভা নির্বাচনে অনেক দেরিতে ঘোষণা করা হয় তাঁর নাম। শুধু তাই নয়, বিজেপির বড় কোনও নেতাকে তাঁর প্রচারেও দেখা যায়নি। ২০১৯ সালে শত্রুঘ্ন সিনহাকে প্রার্থী করেনি বিজেপি।

দীর্ঘ দিন পার্টির সঙ্গে থাকলেও বিজেপি শত্রুঘ্ন সিনহাকে সম্মান দেয়নি বলে অভিযগ করেছেন তনয়া সোনাক্ষী। তাঁর কথায়, “আমার বাবা, জেপি নারায়ণ, বাজপেয়ী এবং আদবানী জির মতো নেতারা প্রথম থেকে দলের সঙ্গে ছিল। কিন্তু তাদের যতোটা সম্মান প্রাপ্য তা দল দেয়নি।” সেই সঙ্গে অভিনেত্রী আরও জানিয়েছেন যে শ্ত্রুঘ্ন সিনহার অনেক আগেই দল ছাড়া উচিত ছিল। তাঁর মতে, “আমার মনে হয় চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাবা অনেক দেরি করে ফেলল। এই সিদ্ধান্ত অনেক আগে নেওয়া উচিত ছিল।”