আমেঠি: নিজের কেন্দ্রে লড়াইা আরও কঠিন হচ্ছে রাহুল গান্ধীর। একদিকে দ্বিতীয়বার তাঁর বিরুদ্ধে লড়ছেন বিজেপি নেত্রী স্মরতি ইরানি। এবার তাঁকে নয়া চ্যালেঞ্জের মুখে ফেল দিলেন একসময় কংগ্রেসেরই এক নেতার ছেলে। রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে আমেঠিতেই লড়বেন সেই কংগ্রেস নেতার ছেলে হাজী হারুন রশিদ।

রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে একগুচ্ছ আভিযোগ জানিয়ে এই চ্যালেঞ্জের কথা জানিয়েছেন ওই নেতা।

তাঁর বাবার নাম হাজি সুলতান খান। তিনি শুধু একজন গুরুত্বপূর্ণ কংগ্রেস নেতাই ছিলেন না, রাজীব গান্ধী ও সোনিয়ার গান্ধীর প্রপোজারও ছিলেন। ১৯৯১-তে লোকসভা নির্বাচনে রাজীব গান্ধীর প্রপোজার ছিলেন তিনি। পরে ১৯৯৯ তে সোনিয়ার প্রপোজার হন। কিন্তু তাঁর ছেলের অভিযোগ, আজ তাঁদের দলে কোনও গুরুত্বই নেই। পাশাপাশি , ওই অঞ্চলের গোটা মুসলিম সম্প্রদায়ই অবহেলিত বলে মনে করছেন তিনি।

আরও পড়ুন: প্রার্থীর নামের আগে ‘কমরেড’ লিখল তৃণমূল

দেশের একাধিক রাজ্য থেকে ভোটে লড়ার প্রস্তাব এলেও অমেঠীকেই নিজের ‘কর্মভূমি’ মনে করেন রাহুল। ২০০৪ সাল থেকে এই কেন্দ্রের প্রতিনিধিত্ব করে আসছেন তিনি। এবারও প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণা হয়েছে। আর তাঁর বিরুদ্ধেই নির্দল প্রার্থী হচ্ছেন হাজি হারুণ রশিদ।

ভোটে লড়ার জন্য আমেঠিকেই কেন বেছে নিলেন, সেটা ব্যাখ্যা করে রশিদ জানিয়েছেন, এখানে সাড়ে ছয় লক্ষ সংখ্যালঘু ভোটার আছে। এই ভোট কংগ্রেস পাবে না বলেই দাবি করেছেন তিনি। পাশাপাশি এলাকায় উন্নয়ন হয়নি বলেও অভিযোগ করেন রশিদ। এলাকার মানুষের অভিযোগ, রাজীব গান্ধীর উন্নয়নমূলক কাজ আর এগিয়ে নিয়ে যায়নি রাহুল।

১৯৯১ সালে কংগ্রেসের হয়ে এই কেন্দ্র থেকে মনোনয়ন দাখিল করেন রাজীব গান্ধী। তাতে স্বাক্ষর করেছিলেন হাজি সুলতান। আট বছর বাদে সোনিয়া গান্ধীর মনোনয়ন পত্রেও প্রার্থীর নাম প্রস্তাব করেছিলেন তিনি। গান্ধী পরিবারের সঙ্গে বেশ ঘনিষ্ঠতা ছিল তাঁদের। রাজীব, সোনিয়া এবং প্রিয়াঙ্কা রশিদদের বাড়িও গিয়েছিলেন আগে। সেই সময় তোলা ছবি এখনও নিজের কাছে রেখেছেন তিনি।

আরও পড়ুন: অযোধ্যায় ‘রাম ভক্ত’ প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর পোস্টার

অন্যদিকে, রশিদের পাশাপাশি চ্যালেঞ্জ জানাবেন স্মৃতি ইরানিও। কেন্দ্রীয় সরকারের এই মন্ত্রী ২০১৪ সালে রাহুলকে কড়া চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছিলেন। চার লক্ষের বেশি ভোট পেয়েছিলেন তিনি। গত পাঁচ বছরে বার বার অমেঠী গিয়েছেন স্মৃতি। গেরুয়া শিবিরের দাবি, আমেঠিতে বিজেপির মাটি শক্ত করে ফেলেছেন স্মৃতি।

আমেঠির সঙ্গে গান্ধী পরিবারের সম্পর্ক নতুন নয়। ১৯৮০ সালে সঞ্জয় গান্ধী এখান থেকে ভোটে লড়েন। তাঁর মৃত্যুর পর উপ নির্বাচনে জিতে আসেন রাজীব। এরপর ৮৪, ৮৯ এবং ৯১ সালেও এই কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন রাজীব। ১৯৯৯ সালে লড়েন সোনিয়া। আর ২০০৪ সাল থেকে লড়ছেন রাহুল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।