লখনউ : পুলিশের কাছে ফাঁস উত্তরপ্রদেশের মোহনলালগঞ্জের বিজেপি সাংসদ কুশল কিশোরের ছেলের কীর্তি। আয়ুষ নামের ওই সাংসদ পুত্র যে কান্ড ঘটিয়েছেন, তাতে বেশ চাঞ্চল্য পড়েছে। নিজের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি, তদন্তে এমনই জানতে পেরেছে পুলিশ। মঙ্গলবার আচমকাই গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় আয়ুষকে। জানা যায়, জনা কয়েক অজ্ঞাতপরিচয় বাইক আরোহী তাঁর ওপর গুলি চালিয়েছে।

এরপরেই তদন্তে নামে পুলিশ। পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ দেখে জানতে পারে ঘটনার সময় কোনও এক আত্মীয় আয়ুষের সঙ্গে ছিল। পরে জানা যায় আয়ুষের শ্যালক ছিলেন তাঁর সঙ্গে। তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। জেরায় ওই ব্যক্তি জানান আয়ুষই তাকে গুলি চালাতে নির্দেশ দিয়েছিল।

মঙ্গলবার রাতে এই ঘটনাটি ঘটে লখনউতে, মড়িয়াব থানা এলাকাতে। আয়ুষের কোমরে একটি গুলি লাগে, সেই সঙ্গে বুলেট গা ঘেঁষে বেরিয়ে যাওয়ায় গভীর ক্ষত হয় কাঁধে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে ট্রমা সেন্টার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পরে শারীরিক পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় বুধবার তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয় হাসপাতাল থেকে। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি লাইসেন্সড পিস্তল উদ্ধার করেছে। পুলিশের সন্দেহ ছিল এই গোটা ঘটনার পিছনে আয়ুষেরই পরিকল্পনা কাজ করেছে। তার শ্যালকের জবানবন্দীতে গোটা ঘটনা সামনে আসে।

আয়ুষের শ্যালককে গ্রেফতার করা হয়েছে। গুলি চালনার অপরাধে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। লখনউয়ের পুলিশ কমিশনার ডি কে ঠাকুর জানান এই গুলি চালনার ঘটনা ঘটে বুধবার রাত ২.১০ মিনিটে। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে তদন্ত চালায় পুলিশ। এখনও তদন্ত চলছে। কোনও এফআইআর বা লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। আয়ুষকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়ার পরে কোনও অজ্ঞাত জায়গায় গা ঢাকা দেন তিনি।

উত্তরপ্রদেশের আইন শৃঙ্খলায় কোনও ঘাটতি নেই বলে দাবি করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। সেই দাবি করার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই এই ধরণের ঘটনা ঘটল। উল্লেখ্য মালদায় মঙ্গলবার এক জনসভায় উত্তরপ্রদেশের তুলনা টেনে তিনি বলেন “উত্তরপ্রদেশে যেমন একদিকে দুষ্কৃতী ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে পুলিশ ব্যবস্থা নিয়েছে। ঠিক সেই মতো সেখানে সমস্ত ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান সব ধর্ম মত নির্বিশেষে করা হয়। কেউ বাধা হয়ে দাড়ায় না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।