প্রতীকী ছবি৷

স্টাফ রিপোর্টার, বারাসত: পারিবারিক অশান্তির জের। শ্বশুরবাড়িতে এসে স্ত্রী এবং শ্বাশুরিকে কুপিয়ে খুনের চেষ্টার অভিযোগ উঠল জামাইয়ের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত জামাই পরে নিজেও বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে, উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগর থানার কালোবাড়ি এলাকায়। এদিকে খুনের চেষ্টার অভিযোগে, অভিযুক্ত জামাইকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে অশোকনগর থানার পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত জামাই সোনাই বাগচি। তার বাড়ি অশোকনগর থানার দেবীনগর এলাকাতেই। এছাড়াও ঘটনায় জখম শ্বাশুড়ির নাম রমা অধিকারী এবং তার স্ত্রী’র নাম রূপা বাগচি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৩ বছর আগে অশোকনগর থানার দেবীনগর এলাকার যুবক সোনাই বাগচির সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল রুপার। বর্তমানে তাদের এক ছেলে এবং মেয়েও রয়েছে। সাংসারিক অশান্তির জন্য ৬ বছর আগেই রুপা তার সন্তানদের নিয়ে শ্বশুরবাড়ি ছেঁড়ে বাপের বাড়িতে চলে আসে। যদিও রুপার বাড়িতে আসা যাওয়া ছিল জামাই সোনাইয়ের।

তবে অভিযুক্ত জামাই বর্তমানে তেমন কোনও কাজ করত না। মাঝে মধ্যেই শ্বশুরবাড়িতে আসতো সে এবং গন্ডগোল করে চলে যেত। সোমবার সকাল ৯ টা নাগাদও শ্বশুরবাড়িতে আসে সোনাই। পৌনে ১১’টা নাগাদ শাশুড়ির সঙ্গে তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে অভিযুক্ত জামাই। এর মধ্যেই সে ব্যাগ থেকে ধারালো দা বের করে আক্রমণ করে শ্বাশুড়ির উপর। শ্বাশুড়ির মাথায় ধারালো দা’য়ের কোপ দেয় জামাই সোনাই। স্ত্রী রূপা তার মাকে বাঁচাতে গেলে তার পিঠেও দায়ের কোপ মারা হয়। এরপরও শ্বাশুরি রমা অধিকারীকে এলোপাথারি কোপাতে থাকে ওই অভিযুক্ত। বর্তমানে অশোকনগর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন জখম শাশুড়ি রমা অধিকারী।

অন্যদিকে, তাঁদের চিৎকার চেঁচামেচিতে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে অভিযুক্ত জামাই সোনাইকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। তবে সে নিজেও কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে অশোক নগর থানার পুলিশ আসে। দুজনকে উদ্ধার করে অশোকনগর হাসপাতালে ভরতি করা হয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় রমা অধিকারীকে কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়। রুপা বাগচিকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থল থেকেই অভিযুক্ত জামাই সোনাই বাগচিকে খুনের চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার করে পুলিশ।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা