মুম্বই:  মাত্র পাঁচ বছর বয়সেই শ্লীলতাহানির শিকার হয়েছিলেন সোমি আলি৷ নিজের মুখে সে কথা স্বীকার করতে দ্বিধা করলেন না প্রাক্তন বলি অভিনেত্রী সোমি আলি৷ সলমন খানের সঙ্গে তাঁর প্রেম নিয়ে একসময় সরগরম ছিল বলিপাড়া৷ সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন তাঁর জীবনের এই তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা৷

 সলমনের প্রেমিকা ছিলেন প্রায় বছর আষ্টেক৷ কিন্তু নায়কের মদ্যপান এবং উদ্ধত আচরণ সহ্য করতে পারেননি৷ তাই ব্রেক আপ ১৯৯৯-এ৷ বলিউড ছেড়ে একেবারে ফ্লোরিডায় চলে যান সোমি৷ সেখানে একটি সংস্থা গড়ে তোলেন৷ যে সমস্ত মেয়েরা হেনস্থার শিকার, তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর কাজ করে এই সংস্থা৷ সেই কাজ করতে করতে নিজের অভিজ্ঞতার কথা ভাগ করে নিতেও দ্বিধা করেননি ৷ জানিয়েছেন তিনি শ্লীলতাহানির শিকার হন মাত্র পাঁচ বছর বয়সেই৷ বাড়ির লোকের হাতেই হয়েছিল তাঁর এই পরিণতি৷ এমনকি পাকিস্তানী অভিনেত্রী জানিয়েছেন, ডোমেস্টিক ভায়োলেন্সের মধ্যেই তিনি বড় হয়ে উঠেছেন৷ তাঁর মা ও মায়ের বন্ধুদেরও নির্যাতনের শিকার হতে দেখেছেন৷ শরীরে দাগ ও ক্ষত দেখিয়ে যখন ছোট্ট সোমি জানতে চাইত, এসব কী করে হয়েছে, তাঁর মা বলতেন সিঁড়ি থেকে পড়ে গিয়ে এরকম অবস্থা৷ সোমি এ  কথা প্রকাশ্যে জানিয়েছেন কারণ তিনি মনে করেন, এই কথাগুলো সকলেরই শোনা উচিত৷ তাহলে আর হেনস্থার শিকার হওয়া কাউকে কেউ ছোট চোখে দেখবে না৷

সম্প্রতি নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা জানিয়ে সোমি তাঁর আত্মজীবনী লিখছেন৷সলমন খানের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়েও নানা কথা রটেছিল৷ শোনা গিয়েছিল, সলমন নাকি তাঁর মাথায় কোকাকোলার বোতল ভেঙেছিলেন৷ সোমি জানিয়েছেন, তাঁর বইয়ে সলমনকে নিয়ে আলাদা একটি অধ্যায় আছে৷ সেখানে সব কথা তিনি খুলে বলবেন৷ যেমন এই ঘটনা সম্পর্কে সোমি জানিয়েছেন, তাঁর মাথায় বোতল ভাঙলে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হত৷ কিন্তু তা তো হয়নি৷ সলমন যেটা করেছিলেন তা হল, সোমি যখন প্রথম প্রথম অ্যালকোহল খেতে শুরু করেছিলেন, তখন একদিন সলমন বিরক্ত হয়ে সমস্ত পানীয় টেবিলে ঢেলে দিয়েছিলেন৷

নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা গড়ে তুলতেই সোমি এভাবে প্রকাশ্যে আনলেন তাঁর জীবনের কালো অভিজ্ঞতা৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।