স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: রাম মন্দির-বাবরি মসজিদ মামলার রায় আগামিকাল শনিবার ঘোষণা করতে চলেছে সুপ্রিম কোর্ট। এমনটাই সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্রে জানা গিয়েছে।

এই খবর ছড়াতেই প্রদেশ সভাপতি সোমেন মিত্র বলেন, “আগামীকাল অযোধ্যা মামলার রায় দেবেন মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট। কোর্টের রায় যাই হোক না কেন আমরা মাথা পেতে নেব। কিন্তু আমরা সবসময় ভরসা করি মানুষের রায়ের উপর। দেশের মানুষই শেষ কথা বলবে।
রাজ্যবাসীর কাছে আমাদের অনুরোধ সবাই শান্তি বজায় রেখে বাংলার সম্মান অক্ষুন্ন রাখবেন।”

সংবাদ সংস্থার খবর অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ আগামিকাল সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ রায় ঘোষণা করবে। মুখ্য বিচারপতি রঞ্জন গগৈ অবসর নেওয়ার আগেই এই মামলার রায় ঘোষণা করা হবে বলে শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল। তারপরে এদিন সংবাদসংস্থা পিটিআই এর খবর অনুযায়ী রায় ঘোষণা হতে চলেছে শনিবারই।

উল্লেখ্য, অযোধ্যা নিয়ে শীর্ষ আদালত যা রায় দেবে, সেটিই মাথা পেতে নেওয়া হবে— বহু বছর কংগ্রেস এই অবস্থান নিয়ে চলছে। কিন্তু বিজেপি-আরএসএস এখন যতই সম্প্রীতির বার্তা দিক, রায় আসার পরে তারা কী মূর্তি ধারণ করবে, তা নিয়ে সংশয়ে কংগ্রেস।

কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বৃহস্পতিবার রাতে রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। লখনউয়ে প্রায় তিন ঘণ্টার ওই রিভিউ মিটিংয়ের পর মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, অযোধ্যা রায় পরবর্তী পরিস্থিতির মোকাবিলায় লখনউ ও অযোধ্যায় দু’টি হেলিকপ্টার প্রস্তুত রাখতে হবে। এ ছাড়া পুলিশ-প্রশাসনের প্রবীণ আধিকারিকদের গ্রামে গিয়ে হিন্দু ও মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি। প্রয়োজনে স্পর্শকাতর এলাকায় রাতেও ক্যাম্প করে থাকতে হবে, নির্দেশ আদিত্যনাথের। এ ছাড়া সোশ্যাল মিডিয়াতেও কড়া নজর রাখার কথা বলেছেন তিনি।

কেন্দ্রও বৃহস্পতিবারই সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে আলাদা করে নির্দেশিকা পাঠিয়েছিল। স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েনের কথা বলা হয়েছিল ওই নির্দেশিকায়। পাশাপাশি অযোধ্যার জন্য ৪০০০ আধাসেনাও আগে ভাগেই পাঠিয়ে রেখেছে কেন্দ্র।