দেবযানী সরকার, কলকাতা: আলগা হয়েছে হাতের রাশ৷ কমতে কমতে একেবারের তলানিতে আসন সংখ্যা৷ শিবরাত্রির সলতে হয়ে জ্বলছেন শুধু অধীর চৌধুরী ও আবু হাসেম খান চৌধুরী৷ গেরুয়া শিবিরের উত্থানে এই অবস্থায় শঙ্কায় দিন গুনছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র৷

আরও পড়ুন: মমতাকে আরও জোরে রাম ধ্বনি দেওয়ার হুঁশিয়ারি যুব মোর্চার

মানুষ আস্থা দেখায়নি রাহুল গান্ধীর কংগ্রেসে৷ বাংলার মানুষ কার্যত প্রত্যাক্ষান করেছে হাত শিবিরকে৷ একদা তাদের সঙ্গী বামেরা বাংলা থেকে প্রায় শূন্য৷ এই অবস্থায় তৃণমূল বিরোধীতায় ভরসা হয়ে উঠেছে বিজেপি৷ ২ থেকে তাদের আসন সংখ্যা বেড়ে প্রায় ১৮-১৯-এর পথে৷

সংখ্যার নিরিখে টিম-টিম করে বহরমপুর ও মালদা দক্ষিণ আসনে এগিয়ে থাকলেও কংগ্রেস গড় মালদা, মুর্শিদাবাদে করুণ অবস্থা কংগ্রেসের৷ ওই দুই জেলার পাঁচ আসনে বাকিগুলেতে ধরাশায়ী অবস্থা৷ প্রতিপক্ষ তৃণমূল নয়৷ উঠে এসেছে পদ্ম শিবির৷ এই আবস্থায় রাজ্য থেকে মুছে যাওয়ার কালো মেঘ দেখছেন বিধান ভবনের নেতারা৷

এদিন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র বলেন, ‘‘মানুষের রা মাথা পেতে নিচ্ছি৷ তবে বাংলায় বিজেপির উথ্থান আগামী দিনে বাংলার জন্য ভয়াবহ, বিপজ্জনক৷’’

আরও পড়ুন: ১৯শেই ফিনিশ, দিদির স্লোগান হল বুমেরাং

তৃণমূল তৈরির পর থেকেই ভেঙেছে কংগ্রেস৷ বিধান ভবনের মায়া ত্যাগ করে একে একে রাজ্য কংগ্রেসের কেষ্ট বিষ্টুরা কালীঘাট মুখো হয়েছেন৷ দিন যত এগিয়েছে সেই প্রবণতা আরও বেড়েছে৷ এবার বাংলায় গেরুয়া ঝড়ে ধাক্কা খেয়েছে জোড়াফুল৷ পদ্মের সুভাষে হাত সঙ্গ ত্যাগ করার হিড়িক পড়বে না তো? রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে দলের রাজ্য সভাপতি হয়ে সেই দায় বর্তায় সোমেন মিত্রই ঘাড়েই৷ তাই তাঁর শঙ্কা বাংলার সঙ্গেই দলের পরিণতি নিয়েও৷