প্রতীকী ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: রাজনীতিতে দু-জন দুই মেরুতে।ফলে সারা বছরই কোনও না কোনও ইস্যুতে তাঁদের মধ্যে দোষারোপ, পাল্টা-দোষারোপের পালা লেগে থাকে। কিন্তু নোভেল করোনা ভাইরাসের সঙ্গে যুদ্ধে বাংলা থেকে সেই ‘রাজনীতি’ উধাও। এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকার প্রশংসা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র।

সোমবার বিবৃতি দিয়ে প্রদেশ সভাপতি বলেন, “যেভাবে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা সারা দেশে লাফিয়ে বাড়ছে তার মোকাবিলায় সরকার ঘোষিত লকডাউন এর সিদ্ধান্ত অভিনন্দনযোগ্য। কারণ সংক্রামণ ছড়ানোর বিরুদ্ধে এটাই একমাত্র পথ। কিন্তু যেভাবে কিছু মানুষ লকডাউন এর তোয়াক্কা না করে রাস্তাঘাটে বেরিয়ে পড়ছে তাতে আমরা শঙ্কিত। মানুষ যদি এই মহামারীর প্রকোপ সম্বন্ধে বুঝতে না পারে তবে পাঞ্জাবের মত কারফিউ ঘোষণা করতেই হবে। সেক্ষেত্রে মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য সংগ্রহের জন্য পাঞ্জাবের মত দিনে কোন একটি সময় মানুষকে বাইরে বেরোবার অনুমতি দিতে হবে।

সোমেন মিত্র বলেন, “সরকারের কাছে আমার অনুরোধ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস সরবারহের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখুন। বাজারে জিনিসপত্রের দাম যেভাবে লাগামছাড়া হচ্ছে তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। পুলিশ-প্রশাসনের সাহায্য ছাড়া মানুষের এই দুর্ভোগ কমবে বলে আমরা মনে করি না। বিনামূল্যে গরিব মানুষের জন্য চাল ডাল সরবারহ করার সরকারি ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রদেশ সভাপতি।

তিনি বলেন, দিন আনা দিন খাওয়া মানুষের জন্য অন্য রাজ্যের মত আর্থিক সাহায্য দেওয়ার জন্য আবেদন করছি। কারণ এইসব পরিবার নির্ভর করে তাঁদের প্রতিদিনের উপার্জনের উপরে।” উল্লেখ্য, এদিন মুখ্যমন্ত্রী অসংগঠিত ক্ষেত্রে শ্রমিকদের জন্য মাসে এক হাজার টাকা পেনশনের ঘোষণা করেছেন। সেই সঙ্গে এই পরিস্থিতিতে রাজ্যবাসীকে বিনামূল্যে রেশন দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।