কলকাতা:  রাজনৈতিকমহলে নক্ষত্রপতন! চলে গেলেন সবার প্রিয় ছোড়দা। সোমেন মিত্রের হঠাত চলে যাওয়াটা কেউই মেনে নিতে পারছে না। কিন্তু চূড়ান্ত বাস্তবটা তো মানতে হবেই। বৃহস্পতিবার সকালে দক্ষিণ কলকাতার বেসরকারি হাসপাতাল থেকে বার করা হয় সোমেন মিত্রের মরদেহ। সেখান থেকে সোজা বিধানভবন হয়ে বিধানসভা। সেখান থেকে সোমেন মিত্রের বাড়ি আমহাস্ট স্ট্রিট।

এরপর একেবার নিমতলা। বর্ষীয়ান এই নেতাকে এদিন শ্রদ্ধা জানাতে সকাল থেকেই ভিড় সর্বত্র। প্রদেশ কংগ্রেসের সদর দফতরে উপচে পড়া ভিড়। প্রদীপ ভট্টাচার্য থেকে শুরু করে রাজ্যের কংগ্রেস নেতারা সেখানেই প্রিয় নেতাকে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। ভিডিও বার্তায় শোকপ্রকাশ ও সমবেদনা জানিয়েছেন প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরি। একইরকম ভাবে শোকজ্ঞাপন করেছেন দীপা দাশমুন্সিও।

শুধু তাই নয়, প্রিয় নেতার বাড়ির সামনেও ছিল তাঁর অসংখ্য অনুগামীর ভিড়। ডান-বাম সমস্ত রাজনেতারা এদিন উপস্থিত ছিলেন। ছিলেন বিজেপি নেতা সব্যসাচী দত্ত, মুকুল রায়। অন্যদিকে ছিলেন তৃণমূলের তাপস রায়। সবার মুখেই সোমেনদার কথা।

অন্যদিকে, এদিন সকালেই সোশ্যাল মিডিয়াতে সোমেন মিত্রকে শ্রদ্ধা জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এরপর পুষ্পস্তবক নিয়ে বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ সোজা বিধানসভায় পৌঁছে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রায় ২০ মিনিট অপেক্ষা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে বিধানসভায় পৌঁছয় না সোমেন মিত্রের মরদেহ।

জানতে চান, আর কতটা সময় লাগতে পারে। তাঁকে জানানো হয় প্রয়াত প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রের মরদেহ বিধানসভায় আসতে আরও ঘণ্টাখানেক সময় লাগবে। এরপর আর দেরি করেননি মুখ্যমন্ত্রী। প্রাক্তন সতীর্থের মরদেহ যেখানে রাখা হবে, সেখানেই পুষ্পস্তবক রেখে দিয়ে নবান্নের উদ্দেশে বেরিয়ে যান তিনি। “আমার কাজ আছে, আর কতক্ষণ অপেক্ষা করব”, বলে বেরিয়ে যাওয়ার আগে মন্ত্রিসভার তিন সদস্যকে দায়িত্ব দিয়ে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে আর শেষ দেখা হল দীর্ঘদিনের সহযোদ্ধা সোমেন মিত্রের সঙ্গে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ