ফাইল ছবি

বার্লিন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ‘জাদু কি ঝাপ্পি’ দেওয়ায় কংগ্রেসের অভ্যন্তরেও সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল রাহুল গান্ধীকে৷ খোদ নিজের মুখে একথা জানালেন রাহুল৷ জানান, দলের অনেকেই প্রধানমন্ত্রীকে সংসদে জড়িয়ে ধরার ঘটনা পছন্দ করেননি৷

প্রসঙ্গত অনাস্থা প্রস্তাবের দিন সংসদে ভাষণ শেষে সবাইকে চমকে নরেন্দ্র মোদীকে জড়িয়ে ধরেন রাহুল৷ বিজেপি রাহুলকে এই নিয়ে তুলোধনা করে৷ খোদ নরেন্দ্র মোদীও একটি সাক্ষাতকারে রাহুলের ওই আচরণকে বাল্যখিল্য বলে কটাক্ষ করেন৷ কংগ্রেস শুরু থেকে প্রকাশ্যে রাহুল গান্ধীকে সমর্থন জানায়৷ কিন্তু ওই ঘটনা দলের একাংশকে ক্ষুব্ধ করেছিল তা রাহুলের এই স্বীকারোক্তির পরই পরিস্কার৷

মোদীকে জড়িয়ে ধরার ঘটনার ব্যাখ্যায় রাহুল জানান, প্রধানমন্ত্রীর ঘৃণ্য মন্তব্য তাঁকে বাধ্য করে মোদীকে জড়িয়ে ধরার৷ কংগ্রেস সভাপতি বলেন, ‘‘ঘৃণ্য মন্তব্যের জবাবে ঘৃণ্য মন্তব্য করা বোকামি৷ এতে কোনও সমস্যার সমাধান হয় না৷ তিনি আমাকে নিয়ে অনেক ঘৃণ্য মন্তব্য করেছেন৷ আমি মোদীর প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়েছি৷ কিন্তু সেটা তাঁর পছন্দ হয়নি৷’’ জার্মানির হ্যামবার্গে একটি সভায় বলেন রাহুল৷

ইটের বদলে পাটকেল নীতিতে বিশ্বাস করেন না রাহুল৷ জানান, হিংসাকে কখনো হিংসা দিয়ে শেষ করা যায় না৷ ক্ষমা করতে জানতে হবে৷ এই প্রসঙ্গে ঠাকুমা ইন্দিরা গান্ধী ও বাবা রাজীব গান্ধীর প্রসঙ্গ টেনে আনেন৷ বলেন, ‘‘গান্ধী পরিবারের দুই সদস্যকে খুন হতে দেখেছি৷ একজন আমার বাবা রাজীব গান্ধী৷ অপরজন ঠাকুমা ইন্দিরা গান্ধী৷ তবুও বলব হিংসাকে কখনও হিংসা দিয়ে শেষ করা যায় না৷ হিংসাকে সামনে থেকে দেখেছি৷ তবুও বলব ক্ষমা করতে৷’’ চার দিনের সফরে জার্মানি ও লন্ডন গিয়েছেন রাহুল গান্ধী৷ বৃহস্পতিবার বার্লিনে ইন্ডিয়ান ওভারসিজ কংগ্রেসের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রাহুলের৷