বিশেষ প্রতিবেদন: পর্যটনে আগ্রহীরা সারা বছর ধরেই ক্যালেন্ডারের দিকে তাকিয়ে থাকেন। হোক ছোট ট্যুর, তবু সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়া চাই। বেড়াতে যেতে কার না ভাল লাগে! অফিসে দু’দিনের ছুটি পেলেই মন ডানা মেলে উড়তে চায় অচেনা দিগন্তের ক্যানভাসে। সুযোগ পেলেই অনেকে বেরিয়ে পড়েন প্রকৃতির টানে। উইকএন্ড কিংবা ছোট ছুটিতে প্রকৃতির বুকেই অবকাশের ঠিকানা খুঁজে নেন ভ্রমণরসিকরা।

এবার তাহলে আপনার বেড়ানোর ঠিকানা হোক দক্ষিণ সিকিমের কেউজিং। রাবাংলা থেকে মাত্র ৭ কিলোমিটার দূরে ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম কেউজিং। যারা অফবিট ভ্রমণ ভালোবাসেন তাদের কাছে কেউজিং হয়ে উঠতে পারে সেরা ঠিকানা। সারা বছরই পর্যটকদের ভিড় থাকে রাবাংলায়। কিন্তু, অনেকে জানেনই না সামান্য দূরেই রয়েছে পাহাড়ি নির্জন ঠিকানা কেউজিং।

সব মিলিয়ে দিন কয়েকের ছুটির জন্য আশ্রয় নিতে পারেন এই পাহাড়ি গ্রামে। মৈনাক পর্বতের পাদদেশে ৭০০ ফুট উচ্চতায় এই গ্রাম অবস্থিত। এই গ্রাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে ধীরে ধীরে পর্যটকদের কাছে প্রিয় হয়ে উঠছে কেউজিং। দেখার মধ্যে রয়েছে একটি মনাস্ট্রি। সামান্য দূরে গেলেই টেমি টি গার্ডেন। যারা ট্রেক করতে ভালোবাসেন, তাদের জন্য রয়েছে ছোট-বড় ট্রেক রুট।

শিয়ালদহ থেকে রাত সাড়ে আটটার ১৩১৪৯ কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেস উঠুন। পরদিন সকালে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে নামুন। সেখান থেকে ভাড়া গাড়িতে সরাসরি কেউজিং গ্রামে যাওয়া যায়। দূরত্ব ১৩০ কিলোমিটার। যেতে সময় লাগে আনুমানিক ৮ ঘণ্টা। এখানে এখন গড়ে উঠেছে ছোট-বড় নানান হোম স্টে। চাহিদামত থাকার জায়গা খুঁজে নিন। ভাড়া ১৫০০ টাকার মধ্যে। বাঙালি খাবার খেতে চাইলেও কোনও অসুবিধা নেই। রয়েছে বেশ কিছু বাঙালি হোটেলও।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

Tree-bute: রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও