ইসলামাবাদ: ইরান এবং ছয় রাষ্ট্রগোষ্ঠীর মধ্যে ২০১৫ সালে যে পরমাণু সমঝোতা স্বাক্ষর হয়েছিল তা রক্ষা করার একমাত্র উপায় হল কূটনৈতিক পন্থা অবলম্বন করা। বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমের সামনে পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জাহিদ হাফিজহ চৌধুরী এমনটাই জানিয়েছেন।

তাঁর বক্তব্য, মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে যে উত্তেজনা বিরাজ করছে তা নিরসনের জন্য আলোচনার মনোভাব গ্রহণ করা জরুরি। এক্ষেত্রে ইরানের সঙ্গে অন্য পক্ষগুলির আলোচনাকে সমর্থন জানিয়েছে পাকিস্তান।

জাহিদ চৌধুরী বলেছেন, বিশ্বাস করি আলোচনার মাধ্যমে পরমাণুর সমঝোতা-কেন্দ্রিক সঙ্কটের সমাধান করলে তাতে সর্বোচ্চ ইতিবাচক ফলাফল আসতে পারে। এক্ষেত্রে পাকিস্তান অতীতে মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করেছে এবং চলমান উত্তেজনা নিরসনে ফের একই ধরনের ভূমিকা পালন করতে প্রস্তুত রয়েছে বলে তিনি জানান।

imran khan

এর আগে গত ১৩ নভেম্বর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, যদি আমেরিকার নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন পরমাণু সমঝোতায় ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন তাহলে তাতে পাকিস্তানের স্বার্থ রক্ষিত হবে।

পাক প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, আমেরিকা পরমাণু সমঝোতায় ফিরে এলে পাকিস্তান এবং ইরানের মধ্যে বাণিজ্য বাড়ানোর নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।