স্টাফ রিপোর্টার, হাবড়া: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশকে অমান্য করে উত্তর ২৪ পরগনার একাধিক জায়গায় চলছে রমরমিয়ে মাটি কাটার ব্যবসা৷ পুলিশ ধরপাকড় করার পরেও লুকিয়ে চলছে মাটি কাটার কাজ৷ বেআইনি ভাবে পুকুর কেটে চলছে অবৈধ মাটি পাচার চক্র সেই মাটি কাটার প্রতিবাদ করায় অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মী রামকৃষ্ণ ঘোষকে মারধোর৷ হাবড়া থানার ইছাপুর এলাকার ঘটনা৷

বেশ কিছুদিন ধরেই ইছাপুর এলাকার বেশ কিছু পুকুর অবৈধ ভাবে ভরাট করছে স্থানীয় ইউনিস ও রমজান৷ গত দু’দিন হালকা বৃষ্টির কারণে রাস্তায় পরে থাকা কাঁদায় জল জমে বহু স্থানীয় বাসিন্দা রাস্তায় পরে যায় বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে প্রাণে বেঁচে যান অনেকেই৷ এমনকি সূত্র মারফত জানা যায় বেশ কয়েকজন পুলিশও আসামি ধরতে গিয়ে কাঁদায় হোঁচট খেয়ে পরে যান৷ অনেক বার বারণ করা সত্ত্বেও কোন লাভ হয়নি৷ বরিবার রাতে রামকৃষ্ণ বাবু বাজার থেকে বাড়ি যাবার সময় রাতের অন্ধকারে কাঁদায় পরে যান৷ কোন মতে বাড়ি গিয়ে সোমবার সকালে পাড়ার একটি মুদিদোকানে বসে গল্প করার সময় পাশেই ছিলেন মাটি ব্যবসায়ী ইউনিস মণ্ডল ও রমজান মণ্ডল হটাৎ পাশ থেকে বাঁশের চটা দিয়ে সজোরে মুখে আঘাত করেন বাজে ভাষায় গালিগালাজ করেন বলে অভিযোগ৷

স্থানীয় বাসিন্দারা ঐ অবসর প্রাপ্ত সেনা কর্মীকে হাবড়া হাসপাতালে নিয়ে যান৷ প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়৷ দেশরক্ষা যাদের কাজ তাদের উপর আক্রমণ মেনে নিতে পারেননি অনেক সেনাকর্মী৷ তবে এর আগে হাবড়া,দওপুকুর, বনগাঁ, গাইঘাটা সহ একাধিক থানায় অবৈধ মাটির গাড়ি আটক করেছে পুলিশ৷ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে হাবড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন রামকৃষ্ণ বাবু৷ পুরো ঘটনার তদন্তে হাবড়া থানার পুলিশ৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।