ফাইল ছবি

সিয়াচেন: এই প্রথমবার নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে সক্ষম হলেন ভারতীয় সেনা জওয়ানরা। প্রথমবার ভারতের বীরপুরুষদের জন্য ভোট দেওয়ার বিশেষ ব্যবস্থা করল নির্বাচন কমিশন। নিয়ন্ত্রন সীমায় অতন্দ্র পাহারারত যে সমস্ত সেনারা আমজনতার নিরাপত্তায় সদা জাগ্রত, তাঁরা যাতে লোকসভা নির্বাচনে নিজেদের ভোট প্রয়োগ করতে পারেন তাই এমন উদ্যোগ নির্বাচন কমিশনের। নির্বাচন কমিশন প্রথমবারের জন্য এই ব্যবস্থাপনা করে।

নিয়ন্ত্রন সীমায় সদা জাগ্রত দেশ মাতৃকার সন্তানরা যাতে নির্ঝঞ্ঝাটে ভোট দিতে পারেন সে কথা মাথায় রেখে অনলাইনে ব্যালট পেপার ডাউন লোডের ব্যবস্থা করে নির্বাচন কমিশন। তারপর ডাক যোগে সেই ব্যালট পেপার নির্বাচনী আধিকারিকদের কাছে পৌঁছে দেবার বিশেষ বন্দোবস্তের সুবিধেও তাঁদের দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।

পড়ুন: বড় খবর: ভাটপাড়ায় বিজেপি-তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে শতাধিক কর্মী

দেশের মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়া ছাড়া আর কোন কিছুই গুরুত্বপূর্ণ নয় যাদের কাছে। দেশমাতৃকার জন্য সব সময় জান কবুল যে বীর জওয়ানদের। দেশের নিরাপত্তায় প্রাণ দিতেও পিছপা হন না যারা, সেই সেনা জওয়ানরাই এতকাল ব্রাত্য হয়ে এসেছেন দেশ গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজে। তাই সে কথা মাথায় রেখে তারাও যাতে এবার দেশ গঠনে তথা সরকার গঠনে অংশ নিতে পারেই সেই ব্যবস্থাই করল নির্বাচন কমিশন।

ভারতমাতার বীর সন্তানরা বৃহস্পতিবার প্রমান করলেন দেশের জন্য নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ দেশ গঠনে অখণ্ড ভূমিকা রাখে। বিশ্বের সরবচ্চ যুদ্ধক্ষেত্র সিয়াচেনে মোতায়েন হওয়া সেনা জওয়ানরা প্রথমবার লোকসভা নির্বাচনে সক্ষম হলেন প্রথম দফার ভোটে অংশ গ্রহণ করতে। হিম শীতল পরিবেশকে চুটকিতে উড়িয়ে নিজেদের ইচ্ছেপুরনের আগুন জ্বালালেন বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র গঠনে অংশ নিয়ে। জম্মু কাশ্মীরেও এদিন ভোট দেন জওয়ানরা। প্রতিকূল আবহাওয়া জয় করে যুদ্ধহীন শান্ত পরিবেশে নিজেদের মৌলিক অধিকার কায়েম করলেন দেশ রক্ষকরা। দেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে যা অবশ্যই বড়সড় সাফল্য।