শ্রীনগর: রাজৌরির সেক্টরে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর আইইডি বিস্ফোরণে শহিদ হয়েছেন এক সেনা অফিসার৷ তার কয়েক ঘণ্টা পরই এই রাজৌরির সীমান্ত থেকে মিলেছে গোলাগুলির তীব্র আওয়াজ৷ গ্রেটার কাশ্মীর সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, এদিন রাত থেকেই শুরু হয়েছে গোলা বর্ষণ৷ পাকিস্তান সেনা ছাউনি লক্ষ্য করে ব্যাপক গুলি চলছে৷ এক জওয়ান আহত হয়েছে বলে খবরে দাবি করা হয়েছে৷ যদিও সেনার তরফে কোনও বিবৃতি জারি করা হয়নি৷

পুলওয়ামার জঙ্গি হামলার ক্ষত এখন টাটকা৷ তার মধ্যে শনিবার বিকালে রাজৌরির নৌসেরা সেক্টরে আইইডি বিস্ফোরণের হদিশ পায় সেনা৷ তা নিস্ক্রিয় করার সময় মৃত্যু হয় মেজর পদমর্যাদার এক সেনা অফিসারের৷ আহত হয় এক জওয়ান৷

গতকালও পুঞ্চ সেক্টরে সীমান্তের ওপারে থাকা পাকিস্তান সেনা ছাউনি টার্গেট করে হেভি শেলিং করে ভারতীয় সেনা। যদিও এক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর মোতাবেক পাকিস্তানের তরফেই প্রথম গুলি চলে। ভারতীয় সেনার প্রত্যাঘাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পাকিস্তানের মাটিতে। পাক-রেঞ্জার্সের একাধিক ছাউনি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে সংবাদমাধ্যমে।

দেশের ইতিহাসে সবথেকে বড় জঙ্গি হামলার পর শুক্রবার সেনাকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে৷ জঙ্গিদের বিরুদ্ধে কবে, কখন ও কীরকম অভিযান চালানো হবে তা ঠিক করবে সেনা৷ একটি অনুষ্ঠানে এসে এমনটাই জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ বলেন, ‘‘সন্ত্রাসবাদ দমনে ভারতীয় সেনাকে পুরো স্বাধীনতা দেওয়া হল৷ কী কায়দায় জবাব দেওয়া হবে তা ঠিক করবে নিরাপত্তা বাহিনী।’’

পাশাপাশি মোদী পুলওয়ামার হামলাকারীদের সতর্ক করে দেন৷ বদলার সুরে জানান, হামলাকারীরা বড় ভুল করেছে৷ এর চরম মূল্য তাদের চোকাতে হবে৷ মোদী বলেন, ‘‘জঙ্গি ও তাদের মদতদাতাদের বলতে চাই তারা বড় ভুল করেছে৷ এর চরম মূল্য চোকাতে হবে৷ এই হামলার জন্য যাদের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তাদের পাশে আছে সরকার৷ তারা বিচার পাবে৷’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।