স্মার্টফোনের চার্জ না থাকার অভিযোগ বহুদিনের, তাই অনেকেই সঙ্গে নিয়ে ঘোরেন চার্জার ব্যাংক বা চার্জার। তবে এই দুটোরই সীমাবদ্ধতা আছে, সেটা হলো বিদ্যুতের সংযোগ না থাকলেই এ দুটোই অকেজো। কেমন হয় যদি চার্জারের চার্জ দেওয়া হয় সূর্যালোক থেকে?

ম্যাশেবল-এর খবরে প্রকাশ, ‘সোলার পেপার’ নামের নতুন একটি ইউএসবি চার্জার এনেছে প্রযুক্তি সংস্থা ‘ইয়োক’। ‘সোলার পেপার’ নামকরণের মূল কারণ, এটি কাগজের মতো পাতলা। একটি বইয়ের ভেতরে ভাঁজ করে একে বহন করা সম্ভব।

এই চার্জার সঙ্গে থাকলে ফোন চার্জ দেওয়ার জন্য সকেট খোঁজার প্রয়োজন হবে না। কারণ, এটি শক্তি গ্রহণ করবে আলো থেকে। শুধু ফোন নয়, ইউএসবি চার্জার দিয়ে চার্জ দেওয়া যায় এমন সব যন্ত্রেই কাজ করবে ‘সোলার পেপার’।

সংস্থার মতে, বাজারে থাকা অন্যান্য সোলার চার্জারের তুলনায় ‘সোলার পেপার’ হালকা এবং অধিক কার্যক্ষমতাসম্পন্ন। একটি আইফোন ফুল চার্জ করতে সময় নেবে মাত্র দু’ঘণ্টা। যদিও এরওপর কোনও ছায়া পড়লে চার্জ করা বন্ধ হয়ে যাবে। আবার সূর্যের আলোতে এলে অটম্যাটিকভাবে চার্জ শুরু হবে।

চার্জারটির সঙ্গে থাকা প্রতিটি প্যানেল ২.৫ ওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম। একটি আইফোন চার্জ করতে প্রয়োজন হয় পাঁচ ওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন চার্জার। তাই আইফোন চার্জ করার জন্য দুটি প্যানেল ব্যবহার করতে হবে। আবার ট্যাবলেট চার্জ করার জন্য প্রয়োজন ১০ ওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন চার্জার। সে ক্ষেত্রে প্রয়োজন হবে চারটি প্যানেল। ‘সোলার পেপারে’র প্রতিটা প্যানেলে ছিদ্র করা আছে যাতে ব্যাগের সঙ্গে খুব সহজে ঝুলিয়ে রাখা যায়। যাঁরা নিয়মিত ভ্রমণ করে থাকেন, তাঁদের ফোন চার্জের সমস্যা অনেকটাই কমিয়ে আনতে পারে এই সোলার চার্জার।

 

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।