সৌপ্তিক বন্দ্যোপাধ্যায় : বেড়ে চলেছে সংক্রমণ। কিন্তু সচেতনতার অভাব প্রচুর। সরকার চেষ্টা করলেও মানুষ ফিজিক্যাল ডিস্টেনসিং মানছেন না অনেকেই। অনেকে আবার মানতে চাইছেন কিন্তু অপর জনের জন্য ফিজিক্যাল ডিস্টেন্সসিং রক্ষা করা যাচ্ছে না। এই সব সতর্ক মানুষদের এবং অন্য অসতর্কদের শিক্ষা দিতে এই যুবক বানিয়ে ফেলেছে এক বিশেষ টুপি। যা ফিজিক্যাল ডিস্টেন্স রক্ষা করতে সাহায্য করবে।

এমন বিশেষ টুপির নির্মাতা দেবজিৎ সরকার। সে পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী ১ নম্বর ব্লকের দক্ষিণ শ্রীরামপুরের বাসিন্দা। বর্তমানে কলকাতার গুরু নানক ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি থেকে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এ বিটেক করছে। লকডাউনে পড়াশোনা কার্যত বন্ধ বলা যেতেই পারে। ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষা ও নিজস্ব ভাবনার সমন্বয়ে সে বানিয়ে ফেলেছে সোশ্যাল ডিস্টেনসিং ক্যাপ।

সে জানিয়েছে, ‘করোনা ভাইরাসের জন্য বর্তমান পরিস্থিতির ওপর নজর রেখে আমি একটি সোশ্যাল ডিস্টেনসিং ক্যাপ বা সামাজিক দুরত্ব বজাইকারী টুপি বানিয়েছি। এই টুপিটি পরিধান করে রাস্তায় বেরোলে ২ গজের মধ্যে কেউ আসলে এটি আওয়াজ করবে এবং আপনি তার থেকে পিছিয়ে বা সরে আসলে এটি আবার সাধারণ অবস্থায় ফিরে আসবে।

এই টুপিটি সব সময় আপনার সামনে ডান দিকে ও বাম দিকে সার্চিং করতে থাকবে। কেউ ২ গজের মধ্যে আসা মাত্রই আবার এটি আওয়াজ করা শুরু করবে এবং আপনাকে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে সাহায্য করবে।’ কিভাবে সিগন্যাল দেবে এই টুপি? দেবজিত জানিয়েছেন , ‘এই টুপিটির মধ্যে একটি আরডিওনো ইউনো, একটি সারভো মটর, একটি আল্ট্রাসোনিক সেন্সর, একটি বার্জার এবং একটি ৯ ভোল্টের ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে।’ আর এতেই কাজ হবে।

এদিকে পশ্চিমবঙ্গে করোনার দাপট অব্যাহত। রেকর্ড সংখ্যক টেস্টের দিনই আক্রান্ত এবং মৃত্যুর নয়া রেকর্ড সৃষ্টি হল রাজ্যে। যার জেরে শনিবার মোট আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে ৭২ হাজারের গণ্ডি ছাড়িয়ে গেল। আর গত গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার বলি হয়েছেন আরও ৪৮ জন।

শনিবার স্বাস্থ্য দফতরের তরফে প্রকাশিত বুলেটিন অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ন’টা থেকে এ দিন সকাল ন’টা পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে ২৫৮৯ জনের দেহে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব মিলেছে। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত ৪৮ জনের মধ্যে কলকাতার বাসিন্দা ১৯ জন। উত্তর ২৪ পরগনা (১৩) এবং হাওড়াতেও (৬) এক দিনে মৃত্যুর সংখ্যায় তেমন হেরফের ঘটেনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.