বেঙ্গালুরু: কর্ণাটকের সেক্স স্ক্যান্ডেল মামলা নয়া মোড়। কর্ণাটকের মন্ত্রী রমেশ জারকিহোলির বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগ প্রত্য়াহার করে নিতে চাইছেন সমাজকর্মী দীনেশ কালাহাল্লি। কিছুদিন আগে কর্ণাটকের জল সম্পদ মন্ত্রী রমেশ জারকিহোলির বিরুদ্ধে তিনিই অভিযোগ দায়ের করেছিলেন।

দীনেশ কালাহাল্লি তাঁর আইনজীবীর মাধ্যমে কাবন পার্ক থানায় একটি ফর্মাল উইথড্র মামলা দায়ের করেছেন। আইনজীবী কুমার পাটিল জানিয়েছেন, তিনি স্টেশন হাউজ অফিসারের সঙ্গে দেখা করেছেন ও তাঁকে দীনেশের চিঠি দিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি অনুরোধ করেছেন যাতে অভিযোগ তুলে নেওয়া হয়। তিনি এও জানিয়েছেন এই অভিযোগ তুলে নেওয়ার পিছনে কোনও রাজনৈতিক চাপ নেই। দীনেশ একজন সমাজকর্মী। মানুষের হিতার্থে কাজ করেন তিনি। কিন্তু এই ঘনার সঙ্গে জড়িত মহিলার সোশ্যাল সাইটে বদনাম হচ্ছে। যাতে তা না হয় তাই অভিযোগ তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দীনেশ।

কিছুদিন আগে কর্ণাটকের মন্ত্রী রমেশ জারকিহোলির নামে অভিযোগ উঠেছিল, কাজ পাইয়ে দেওয়ার নামে তিনি এক মহিলা সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। এই নিয়ে একটি ভিডিও টেপ প্রকাশ পায়। সমাজকর্মী দীনেশ কাল্লাহাল্লি মঙ্গলবার রমেশ জারকিহোলির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ, চাকরি দেওয়ার নামে ওই মহিলাকে তিনি যৌন হেনস্তা করেন। এমনকী ওই মহিলা ও তাঁর পরিবারকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে রমেশ জারকিহোলির উপর। যদিও জারকিহোলি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর বক্তব্য এই ভিডিও সম্পূর্ণ মিথ্যে। তিনি নিজে ভিডিওটি দেখে শকড হয়েছেন।

জারকিহোলি কর্নাটকের জল সম্পদ মন্ত্রী। জানা গিয়েছে দলের তরফ থেকে এই ঘটনার পর তাঁকে ইস্তফা দিতে বলা হয়। ইস্তফা দেন তিনি। কর্নাটকের বিজেপি নেতা অরুণ সিং জানিয়েছেন, সামনেই একাধিক রাজ্যের বিধানসভা ভোট। এই সময় এমন এক ঘটনা সামনে আসায় দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফ থেকেই তাঁকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এদিকে রমেশের ভাই বিজেপি বিধায়ক বালাচন্দ্র জারকিহোলি ঘটনার সিবিআই তদন্ত চেয়েছেন। তিনি এমন হুমকিও দিয়েছেন যিনি এই “ভুয়ো সিডি” ফাঁস করেছেন তাঁর বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করা হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.