কলকাতা‌: পুরভোটের রিপোর্টে অসঙ্গতি থাকায় দুই প্রিসাইডিং অফিসারকে শোকজ করল রাজ্য নির্বাচন কমিশন৷ ১৮ এপ্রিল, নির্বাচনের দিন ৬৫ ও ১৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের দায়িত্বে থাকা দুই প্রিসাইডিং অফিসারকে চিঠি দিয়ে জবাবদিহি চাওয়া হয়েছে কমিশনের পক্ষ থেকে৷ বৃহস্পতিবার একথা জানালেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সুশান্ত রঞ্জন উপাধ্যায়৷

কলকাতা পুরসভার ৬৫ নম্বর ওয়ার্ডের ২৬ নম্বর বুথ এবং ১৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের ৩২ নম্বর বুথের প্রিসাইডিং অফিসারকে  শোকজ করা হয়েছে। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কমিশন তাঁদের কাছে জানতে চেয়েছে, ফোনে বুথ দখলের কথা জানিয়েও, রিপোর্টে কেন তারা ভোটকে শান্তিপূর্ণ বলেছিলেন? এই বৈপরীত্যের কারণ কী?

তবে কি চাপের মুখে অবশেষে দু’জন প্রিসাইডিং অফিসারকে শোকজ করল রাজ্য নির্বাচন কমিশন, প্রশ্ন তুলছেন বিরোধীরা। ফোনে গন্ডগোলের কথা জানিয়েও রিপোর্টে কেন শান্তিপূর্ণ ভোটের উল্লেখ করেছেন তাঁরা? ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সে ব্যাপারে তাঁদের জবাব তলব করা হল। দুপুর দু’টোর পর কেন ভোটের হার আপডেট করেননি প্রিসাইডিং অফিসাররা? দক্ষিণ ২৪ পরগণার জেলাশাসকের কাছেও ব্যাখ্যা তলব করেছে কমিশন। সময় বেঁধে দিয়ে তিনি একাধিক বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক শান্তনু বসুর কাছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।