দার্জিলিং: একে তো করোনার হামলা চলছে। সবাই কমবেশি ভীত। এসবের মাঝে এসেছে একটা ভালো খবর, শৈলশহরের বিখ্যাত চিড়িয়াখানায় তুষার চিতার ছানা হয়েছে। খবর ছড়িয়েছে দ্রুত।

দার্জিলিংয়ের পদ্মজা নাইডু হিমালয়ান জু়লোজিকাল পার্কের একটি তুষার চিতার শাবক জন্ম নিয়েছে। পার্কের ডিরেক্টর ধর্মদেও রাই জানান, এই শাবকটি নিয়ে মোট ১৩টি তুষার চিতা (স্নো লেপার্ড) এখন রয়েছে। মা ও ছানার উপর কর্মীরা সর্বক্ষণ নজর রেখেছেন। গত১০ এপ্রিল আরও তিনটি স্নো লেপার্ড শাবক জন্ম নেয়। তারাও সুস্থ। জানিয়েছে হিমালয়ান জুওলজিকাল পার্ক কর্তৃপক্ষ।

তুষার চিতা বা স্নো লেপার্ড হচ্ছে এক ধরণের বড় বিড়াল প্রজাতি। মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ায় দেখতে পাওয়া যায়। চিতার মতো দেখতে তবে লোমের উপর সাদা রঙের আধিক্য। সেই কারণে এই প্রাণী তুষার চিতা বলে সুপরিচিত।

তুষার চিতা আফগানিস্তান, পাকিস্তান, ভারত, নেপাল, কাজাখস্তান, ভুটান, চিন, মঙ্গোলিয়া দেশে পাওয়া যায়। তুষার চিতা বা স্নো লেপার্ড আফগানিস্তানের জাতীয় পশু।

অদ্ভুত সুন্দর এই তুষার চিতা বিড়ালের মতো সুযোগসন্ধানী। তাদের ওজনের চারগুন বড় পশুকেও শিকার করতে পারে। এদের শিকারের তালিকায় আছে হিমালয়ান থর, ঘোড়া, উট। মাংশাসী এই প্রাণী মূলত তুষার বেষ্টিত পাহাড়ি এলাকায় দেখা যায়।

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন এই বিশেষ প্রজাতি কমে আসছে। প্রাণীবিদদের আশঙ্কা ২০৪০ সালের মধ্যে তুষার চিতার সংখ্যা আরও ১০ শতাংশ নামবে। তবে এরই মাঝে দার্জিলিং থেকে পরপর তুষার চিতার জন্ম সংবাদ আসছে।

সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, করোনাভাইরাসের হামলা হয়েছে তুষার চিতার উপরেও। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে এই সংবাদ এসেছিল। করোনা আক্রান্ত হয় তিনটি তুষার চিতা। কেন্টাকি ও লুইসভিল চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ এই তথ্য জানায়। এর পরেই গবেষকরা খতিয়ে দেখেন করোনার ছোবল কীভাবে প্রাণী জগতে মানুষ ছাড়া আর কোন প্রানীর উপরে হামলা করছে।

পশ্চিমবঙ্গে করোনা সংক্রমণের ভয়াবহ পরিস্থিতি। দার্জিলি জেলার সমতলের শিলিগুড়ি সহ বাকি এলাকাতে সংক্রমণ বাড়ছে। পার্বত্য এলাকায় সংক্রমণ ছড়ানোর সম্ভাবনা প্রবল। এই অবস্থায় তুষার চিতাদের রক্ষায় ততপর চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.