ঢাকা: বাংলাদেশের রাজধানী কি সাপের বিষ পাচারচক্রের প্রধান ঘাঁটি? এমনই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। প্রায় প্রতি মাসে কোটি কোটি টাকার গোখরো,কেউটে, শঙ্খচূড় সহ বিভিন্ন সাপের বিষ পাচার হওয়ার সময় ধরা পড়ছে।

প্রতিবারই বাজেয়াপ্ত করা বিষের মূল্য বেড়েছে লাফিয়ে লাফিয়ে। শুক্রবার উদ্ধার হওয়া বিষের আনুমানিক মূল্য ৮৫ কোটি টাকা। এর আগে গত ২৫ ডিসেম্বর ধৃত পাচারকারীদের কাছে ৭৫ কোটি টাকার বিষ মিলেছিল। গত নভেম্বরে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ৯ কোটি টাকার সাপের বিষ।

বিবিসি জানাচ্ছে, ২০১৭ সালে ঢাকা থেকেই ১২ পাউন্ড সাপের বিষ উদ্ধার করেছিল পুলিশ। যার মূল্য ছিল প্রায় ৬৮ কোটি টাকা। ২০১৬ সালে চুয়াডাঙ্গা থেকে বারো কোটি টাকা মূল্যের বিষ উদ্ধার করা হয়েছিল।

অন্যদিকে ২০১৬ সালে প্রতিবেশি পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়িতে প্রায় ২৫০ কোটি টাকা মূল্যের সাপের বিষ উদ্ধার হয়। সেই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। এর পর থেকে ঢাকায় সাপের বিষ পাচার চক্রের উপস্থিতি বেড়েছে।

শুক্রবার ঢাকার রামপুরা থানা এলাকা থেকে ৮৫ কোটি টাকা মূল্যের সাপের বিষ উদ্ধার করেছে র‌্যাব-১২ বাহিনি। পাঁচ পাচারকারিকে আটক করা হয়েছে। ব়্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন জানাচ্ছে, ঢাকার রামপুরা থানার চৌধুরীপাড়ার লোহার গেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাপের বিষ সহ পাচারকারীদের আটক করা হয়। ধৃতদের জেরা করে আরও পাচারকারীদের সম্পর্কে জানার চেষ্টা চলছে।

যে পথে বিষ পাচার হয়:

সাপের বিষ পাচার হয় ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যে সীমান্ত এলাকা দিয়ে। বিবিসি জানাচ্ছে, বাংলাদেশ থেকে ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে বিষ পাচার হয়। আবার কখনো সেসব দেশ থেকে এনেও অন্য দেশে পাঠানো হয়। বাংলাদেশে সাপের বিষের লেনদেন বা ক্রয় বিক্রয় এবং পাচার দণ্ডনীয় অপরাধ।

পাচারকারীদের নজরে ভারত সীমান্ত এলাকা:

ঢাকা মহানগর পুলিশ মহলের কর্মকর্তাদের ধারণা বছরে অন্তত একশ কোটি টাকা মূল্যের বিষ পাচার হয় বাংলাদেশকে রুট হিসেবে ব্যবহার করে। ভারত সীমান্তের ত্রিপুরা ও পশ্চিমবঙ্গ লাগোয়া এলাকা ফেনী, বেনাপোল, সাতক্ষীরা, যশোর, কুমিল্লাসহ কয়েকটি এলাকায় একাধিক চক্র গড়ে ওঠেছে যারা সাপের বিষ সংগ্রহ ও চোরাচালানের সাথে জড়িত।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।